বাংলাহান্ট ডেস্ক: কর্ণাটকের (Karnataka) ডিজিপি-স্তরের এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক রামচন্দ্র রাওকে তার দপ্তরে একাধিক মহিলার সাথে অসদাচরণের অভিযোগে স্থগিত করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে তাকে অফিস কেবিনে মহিলাদের সাথে আপত্তিকর আচরণ করতে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ, যা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার দপ্তরের নজরে আসে। এই ঘটনায় তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিয়ে রাজ্য প্রশাসন তাকে সাসপেন্ড করার আদেশ দেয়।
আপত্তিকর আচরণের জন্য সাসপেন্ড কর্নাটকের (Karnataka) ডিজিপি:
আরআই রামচন্দ্র রাও সোনা পাচার মামলায় গ্রেপ্তার দক্ষিণী অভিনেত্রী রানিয়া রাওয়ের বাবা। অভিযোগ অনুসারে, বিভিন্ন সময়ে মহিলারা সরাসরি তার কেবিনে প্রবেশ করতেন এবং সেখানে তার সাথে ঘনিষ্ঠ আচরণ হত। ভাইরাল ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, তিনি অফিস কেবিনের ভিতরে একাধিক মহিলাকে জড়িয়ে ধরছেন ও চুম্বন করছেন। যদিও এই ফুটেজের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি, তবুও তা প্রকাশ্যে আসামাত্রই প্রশাসনিক স্তরে তদন্ত শুরু হয়।
আরও পড়ুন: ভারতের এই সিদ্ধান্তে ঘুম উড়ল পাকিস্তানের! চিনের সাহায্যের জন্য অপেক্ষায় আসিম মুনির
সূত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া সরাসরি ভাইরাল ভিডিওগুলো দেখে ক্ষুব্ধ হন এবং এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের এমন আচরণ প্রশাসনের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে সরকার তাকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনায় কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছে।
রামচন্দ্র রাও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে ভিডিওগুলো জাল এবং তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে সরকারি বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলবে এবং তদন্তকালীন সময়ে তাকে অন্যত্র বদলি বা রাজ্যের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারকে সঙ্গে নিয়ে ‘চিকেনস নেক’ পর্যবেক্ষণ চিনের! তলে তলে চলছে কোন পরিকল্পনা?
এই ঘটনাটি পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরে আচরণবিধি ও শৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। শীর্ষ স্তরের একজন আধিকারিকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এবং সামাজিক মাধ্যমে এর দ্রুত বিস্তার প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্বলতা ও জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে এনেছে। সরকার এখন একটি উচ্চস্তরের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা ভাবছে বলে খবর।













