Durga Puja 2026 Live Updates

‘আনন্দের সময়ে মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক’, চোরবাগান প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ

Published on:

Published on:

Dilip Ghosh on Chorbagan Sarbojanin Incident
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সপ্তমীররাত্রে চোরবাগান সর্বজনীনে (Chorbagan Sarbojanin) ঠাকুর দেখতে যাওয়া মানুষের সাথে যেটা হল সেটা খুবই দুঃখজনক একটা ঘটনা। ১৯ জনের মৃত্যুতে এত মানুষের ভিড় সামলানোর জন্য কী ব্যবস্থা ছিল এই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ঘটনার সময় নিযুক্ত থাকা হোমগার্ডদের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশও করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। তবে এবার এই বিষয়ে নিজের মন্তব্য রাখলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন সকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কী জানালেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

চোরবাগানের দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে কি বললেন দিলীপ ঘোষ?

এদিন দিলীপ ঘোষ জানান, এই আনন্দের সময়ে যে মৃত্যু খুবই দুর্ভাগ্যজনক এবং দুঃখজনক ঘটনা। আর অকাল প্রয়াণ এতজনের, যারা আনন্দের সঙ্গে ছিলেন। হঠাৎ কয়েক মিনিটের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা ঘটে গেল। আমার মনে হয় এই যে ভিড়ের মধ্যে এ ধরনের দুর্ঘটনা বিভিন্ন জায়গায় প্রায়ই হয়ে থাকে। বিশেষ করে আমাদের ধর্মস্থানগুলোতে কুম্ভমেলা, গঙ্গাসাগর, বিভিন্ন ধার্মিক জমায়েতে মানুষ খুব খোলাম মনে শ্রদ্ধাভক্তির সঙ্গে যান। আর হঠাৎ কিছু হয়ে গেলে দুর্ঘটনা ঘটে যায়। এ ব্যাপারে সাবধান থাকা উচিত এবং আয়োজকদের বিশেষ করে এ ধরনের সংকটপূর্ণ জায়গাতে বহু মানুষের জমায়েত হয়। একটু ভুলের জন্য দুর্ঘটনা ঘটে যায়।

এরপর তিনি আরও জানান, তাহলে এ ধরনের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। আসল ঘটনা কি হয়েছে সেটা তদন্ত হলে বোঝা যাবে। কিন্তু যেটা হয়েছে সেটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। সমস্ত বড় পূজোতে পুলিশ দেখে এই সমস্ত বলে সিকিউরিটির ব্যাপার সেফটির ব্যাপার যেন কোন অসুবিধা না হয়। বছর পূজো হচ্ছে, আমাদের বাংলাতে এরকম এককটা পূজ্যতে লক্ষ লক্ষ লোক দর্শন করেন। কোন ঘটনা হয় না, কিন্তু বাই চান্স হয়ে গেলে অনেক বড় ঘটনা হয়ে যায়। সেজন্য সমস্ত রকম খুটি নাটি দেখে তারপরে অনুমতি দেওয়া উচিত। এছাড়া অনুমতির পরে যখন মণ্ডপ সজ্জা ইত্যাদি হয়, রাস্তা হয়, অনেক লম্বা লাইন পড়ে, পুলিশের এগুলো খুব ভালো করে দেখা উচিত যে কোথায় কোথায় গন্ডগোল হতে পারে। আগের থেকেও তো বোঝা যায় না হয়ে গেলে এত ভিড়ের চাপ থাকে আর সমানো যায় না।

আরও পড়ুনঃ পুজো মণ্ডপে আর ভিআইপি লাইন নয়, বড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর

এদিকে কালকের দুর্ঘটনা তার পরে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে যারা মারা গিয়েছেন তাদের পরিবারকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, দেখুন ঘটনা হওয়ার পরে শোনার পরে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব, আমাদের পার্টির প্রেসিডেন্ট, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং একাধিক আমাদের পার্টির মন্ত্রী এবং নেতা সেখানে পৌঁছেছেন। তারপরে যা যা করা সম্ভব সেটা হয়েছে চিকিৎসা। কিন্তু ঘটনা যেটা হয়েছে খুবই মর্মান্তিক। এ ব্যাপারে সবার সাবধান থাকা উচিত। 

এরপর বর্ডার এলাকায় ড্র্যাগ সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়া নিয়েও মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি জানান, বর্ডার এলাকাতে ড্রাগ পাচার এইসব খুব চলছে এখনো চলছে ,সরকার চেষ্টা করছে বিএসএফ চেষ্টা করছে। স্থানীয় মানুষেরও সহযোগিতা চাই না হলে এই ধরনের ড্রাগ পাচার বন্ধ করা মুশকিল আছে। একইসাথে দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভ নিয়ে তিনি জানান, দেশে নবরাত্রির ধুম চলছে। কিন্তু এই সময়েই কিছু বিচ্ছিন্ন মানুষ উৎপাত করে প্রশাসনকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে।