বাংলাহান্ট ডেস্ক : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) নিয়ে মানুষের প্রশ্নের শেষ নেই। জুন মাস থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাওয়া যাবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্নে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নারী এবং শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও। কিন্তু অন্নপূর্ণা যোজনার ১২ পাতার আবেদনপত্র নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের (Annapurna Bhandar) ফর্ম ফিল আপ নিয়ে চিন্তা
প্রায় ১২ পৃষ্ঠার আবেদনপত্র প্রকাশ করা হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য। কিন্তু সেখানে এত ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে জেনে অনেকেই পড়েছেন চিন্তায়। যোজনার ফর্মে আবেদনকারীর পরিবার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই তথ্য নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা।

কারা পাবেন সুবিধা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, শুধুমাত্র উপযুক্ত প্রাপকরাই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। উপভোক্তা তালিকায় গরমিল ধরা পড়ায় আবেদনপত্র যাচাই করার পরেই উপভোক্তা তালিকা চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন : দুপুরের সঙ্গে এবার মিড ডে মিলে মিলবে ব্রেকফাস্টও, দেশের প্রথম হিসেবে নজির এই রাজ্যের
কী বললেন মন্ত্রী: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের (Annapurna Bhandar) ফর্ম নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘সবই সরলীকরণ হবে। যাকে ইচ্ছা দিয়ে দিল, বাংলাদেশিরা নিয়ে গেল, এমন হবে না। আগে জিএসটি নিয়ে জটিলতা ছিল। এখন ভালো হয়েছে।’ জানা যাচ্ছে, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে জেলায় সাধারণ মানুষের জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে সহায়তা শিবির করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : স্লিপার ক্লাসের টিকিট নিয়ে এসিতে ভ্রমণ সম্ভব? রেলের এই নিয়ম না জানলে বড় সুযোগ হাতছাড়া
জানা গিয়েছে, প্রতিটি ব্লকের বিডিও দের নিজস্ব পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনোরকম বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয় তার জন্য ধাপে ধাপে আবেদন সংগ্রহ এবং পরিষেবা বন্টনের উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে।













