বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) ক্রমাগত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। যার জেরে ঘটছে প্রাণহানিও। এদিকে, বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করতে এবং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা প্রদানে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই আবহেই ফেব্রুয়ারিতে সম্পন্ন হতে চলা নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের পরিবেশ আরও সাম্প্রদায়িক হয়ে উঠেছে। হিন্দুদের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলার বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে ইউনূস সরকার এই ঘটনাগুলিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে দায় এড়াতে চাইছে। এই সবকিছুর মাঝে, একটি রিপোর্টে এখন প্রকাশ পেয়েছে যে, বাংলাদেশি প্রার্থীরা নির্বাচনে ভোট পেতে ইচ্ছাকৃতভাবে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ করার প্রচার করছেন।
বাংলাদেশে (Bangladesh) ভয়াবহ পরিস্থিতি:
গোয়েন্দা সূত্রকে উদ্ধৃত করে নিউজ ১৮ এক রিপোর্টে জানিয়েছে যে, ভোট পেতে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসা উস্কে দেওয়ার জন্য একটি সুপরিকল্পিত কৌশল তৈরি করা হয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, সাম্প্রতিক অতীতে বাংলাদেশে এই ধরণের সাম্প্রদায়িক আগ্রাসন কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। বরং এটি ভয় এবং সতর্কতা করার মাধ্যমে ভোট লাভের জন্য পরিকল্পিত একটি পরিকল্পনা।

এমতাবস্থায়, শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্রগুলি প্রতিবেশী দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সূত্র জানিয়েছে যে, উগ্র মৌলবাদীরা এবং স্থানীয় নেতাদের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে এবং এই মৌলবাদীদের বেশ কয়েকবার উস্কানিমূলক বক্তৃতা দিতে এবং হিন্দু বা মুসলিম নয় এমন প্রার্থীদের ভোট না দেওয়ার জন্য জনসাধারণের কাছে আবেদন করতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: ২ মাসেই স্টকে ৬০ শতাংশের বৃদ্ধি! বিনিয়োগকারীদের মালামাল করে বড় ঘোষণা করল এই সংস্থা
প্রার্থীর স্বীকারোক্তি: ওই রিপোর্টে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে একজন প্রার্থীর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুসারে, ওই প্রার্থী স্বীকার করেছেন যে বহু বছর ধরে, দেশের রাজনীতিবিদরা নির্বাচনে জয়লাভের জন্য হিন্দুদের এলাকায় আক্রমণ উস্কে দেওয়ার ক্ষেত্রে এবং এমনকি হিন্দুদের হত্যা করার কৌশল ব্যবহার করেছেন।
আরও পড়ুন: ২ মাসেই স্টকে ৬০ শতাংশের বৃদ্ধি! বিনিয়োগকারীদের মালামাল করে বড় ঘোষণা করল এই সংস্থা
এদিকে, বাংলাদেশীরা বলছেন যে যারা এই হামলা চালিয়েছে তাদের এখন ‘ইসলামের সৈনিক’ হিসেবেও মহিমান্বিতও করা হচ্ছে।












