পুজোতেও মিলবে ডাক্তারি পরিষেবা! গর্ভবতীদের জন্য নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য দফতরের

Published on:

Published on:

West Bengal Health Department Maternity Guidelines for Durga Puja 2026
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজো মানেই চারিদিকে ছুটির আমেজ। কিন্তু এই সময় সরকারি হাসপাতালে কি চিকিৎসা মিলবে? নাকি অন্যবারের মত এবারেও ‘ডাক্তার নেই’ শুনতে হবে? এবার এই সমস্যা নির্মূলক করতে নয়া ব্যবস্থা স্বাস্থ্য দফতরের (West Bengal Health Department)। দুর্গোৎসবের সময় যে সমস্ত গর্ভবতী মহিলারা ভর্তি হবেন তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই এই মর্মে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। কী বলা হয়েছে তাতে? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

দুর্গাপুজো উপলক্ষে কড়া নির্দেশিকা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

যেমনটা জানা হচ্ছে, প্রসূতি মায়েদের জন্য কোনো ত্রুটি যে না থাকে সেটা নিশ্চিত করতে কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে এই সময় যে সমস্ত রুগী ভর্তি হবে তাদের চিকিৎসায় যেন কোনো খামতি না থাকে। একইসাথে যে কোনো সময় সারপ্রাইজ ভিজিট হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, হাসপাতালের সুপারিন্টেন্ডেন্ট, গাইনোকোলোজি কিংবা হেড অফ ডিপার্টমেন্ট ভিজিট যেতে পারেন।

স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগে থেকেই ডাক্তারদের পুজোর ডিউটির দিনের রোস্টার বানিয়ে ফেলতে হবে। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন কখনো ডাক্তার বা পরিষেবা দেওয়ার মত লোকের ঘাটতি না থাকে। রোস্টার যারা তৈরি করবেন তাদের নাম, পদ থেকে যোগাযোগের সমস্ত তথ্য স্পষ্ট লিখিত রাখতে হবে। জেলা হাসপাতাল থেকে শুরু করে সাবডিভিশনাল, স্টেট্ জেনারেল হাসপাতালগুলিতে সব সময় সিনিয়ার গাইনোকোলজিস্ট থাকতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘মায়ের কৃতিত্ব’, বিজেপিতে যোগ দিয়ে অনুপ্রেরণার কাহিনী শোনালেন কোয়েল মল্লিক

এছাড়াও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে সিজার ডেলিভারির সময় যেন গাইনোকোলোজি ডিপার্টমেন্টের ফ্যাকাল্টি মেম্বাররা নিজেরা উপস্থিত থাকেন। শহরের মত গ্রামে বা সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতেও সিজারের ব্যবস্থা ও হওয়ার সময় অভিজ্ঞ মেডিক্যাল অফিসার থাকা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে।

পুজোর সময় যদি ইমার্জেন্সিতে হাই রিস্ক প্রেগনেন্সিও আসতেই পারে। এক্ষেত্রে যাঁদের আগে থেকেই এই তালিকা রাখা যেতে পারে তাদের চিহ্নিত করতে হবে। এই সমস্ত গর্ভবতীদের ডেলিভারির জন্য শেষ দিন অবধি অপেক্ষা করা যাবে না। দূরবর্তী এলাকা বা প্রত্যন্ত এলাকায় ডেলিভারির জন্য নিয়ে আসার সময় ফিল্ড ওয়ার্কার যারা থাকবেন তাদেরও সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। যদি প্রয়োজন পরে তাহলে দূরে থাকা মহিলাদের আগে থেকেই হাসপাতালের কাছে ওয়েটিং হাটে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়া ২৪ ঘন্টা অ্যাম্বুল্যান্স, ডায়াগনস্টিক ও ব্লাড ব্যাংক খোলা ও সচল রাখতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। প্রসূতি মহিলাদের ডেলিভারির সময় অনেক ক্ষেত্রে ব্লিডিংয়ের সমস্যা হলে রক্তের প্রয়োজন পড়ে। সেই কারণে আগে থেকেই ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির সাথে সম্পর্কে থাকতে হবে। একইসাথে গ্রামে বা ছোট হাসপাতাল থেকে হুট করে রেফার করা যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।