Durga Puja 2026 Live Updates

উৎসব শুরুর আগেই শেষ, এই গ্রামে মহালয়াতেই বিসর্জন হয় মা দুর্গার

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : দুদিন আগেই ছিল মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে দেবীপক্ষের (Durga Puja 2026) সূচনা হয়েছে। দেবী দুর্গাকে স্বাগত জানাতে তৈরি সকলে। একদিকে যেমন উমার আগমনীর প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে একটি জায়গায় আবার সম্পূর্ণ উলটো চিত্র। বীরভূমের রামপুরহাট ব্লকের খরুণ গ্রামে এখন বিষাদের সুর। কারণ সেখানে ইতিমধ্যেই বিসর্জন হয়ে গিয়েছে মা দুর্গার।

এই গ্রামে মহালয়াতেই হয় দেবীর (Durga Puja 2026) বিসর্জন

সর্বত্র যেখানে মহালয়া মানে দেবীর আগমনী, সেখানে এই গ্রামে মহালয়া আসে বিসর্জনের বার্তা নিয়ে। এই গ্রামের রায় ও কর্মকার পরিবারে মহালয়ার দিনেই হয় দেবীর বিসর্জন। বিগত প্রায় ৩৬৮ বছর ধরে এই প্রথা চলে আসছে বংশপরম্পরায়।

Durga Puja 2026 unique ritual of this village

সারাবছর পূজিত হন মা: এখানে অবশ্য সারা বছর ধরেই পূজিতা হন মা দুর্গা। এখানে তিনি ঘরের মেয়ে। কিন্তু মহালয়ার অমাবস্যা তিথিতেই দেবীর বিসর্জন বাধ্যতামূলক। শনিবার সন্ধ্যায় এই নিয়ম মেনেই দুই পরিবারের প্রতিমা (Durga Puja 2026) বিসর্জন হয়েছে।

আরও পড়ুন : আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় সাফল্য বঙ্গের! বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় IIT খড়গপুর-যাদবপুরের দাপট

কেন এই রীতি: কর্মকার পরিবারের এক প্রবীণ সদস্য বলেন, বংশপরম্পরায় চলে আসছে এই নিয়ম। মহালয়ার দিনই বাড়ির মেয়েকে নিরঞ্জন দিতে হয়। সাড়ে তিনশো বছর আগে মাটির মন্দিরে পটের মূর্তিতে শুরু হয়েছিল দেবী বন্দনা। এত বছর পরেও নিয়মাবলী একই রয়েছে।

আরও পড়ুন : গন্ধরাজ লেবু-ভেটকির দুর্দান্ত মিশেল, পুজোয় চেখে দেখুন এই বিশেষ পদ, রইল রেসিপি

লোকমুখে প্রচলিত, একসময় পুজোর দিন গ্রামের এক কুমারী মেয়ে মা দুর্গাকে সন্ধ্যা দেখাতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। এরপর নাকি মা দুর্গার মুখে লালপাড় শাড়ির টুকরো দেখতে পান গ্রামবাসীরা। তারপর থেকেই পরিবারগুলিতে মাটির মূর্তি গড়া বন্ধ হয়ে পটের তৈরি দুর্গা প্রতিমার আরাধনা শুরু হয়। এখানে মা দুর্গার সঙ্গে কার্তিক গণেশকেও দেখা যায় না।