বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ রবিবাসরীয় কলকাতা ডার্বিতে (Kolkata Derby) যুবভারতীর রঙ লাল-হলুদ। ২০২৩ সালের ফাইনালের ও চলতি ডুরান্ড কাপের (Durand Cup 2026) গ্রূপপর্বের বদলা নিয়ে এডমুন্ড লালরিনডিকা (Edmund Lalrindika) হ্যাটট্রিকে মোহনবাগানের (Mohun Bagan) পাল তোলা নৌকা মশালের আগুনে জ্বালিয়ে দিলো ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। ৪-১ ফলে কলকাতা ডার্বি জয়ের দিনে এশিয়ান ওম্যান্স চ্যাম্পিয়ন্স লিগের (Asian Women’s Champions League) যোগ্যতা অর্জন করে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করলো ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল।
ভারতের প্রথম ক্লাব হিসেবে এদিন অভাবনীয় রেকর্ড তৈরি করলো ইস্টবেঙ্গল। কিছুদিন আগেই কুয়েতের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর যোগ্যতা অর্জন করেছিল ইস্টবেঙ্গলের ছেলেরা। এদিন মালয়েশিয়ার ক্লাব সাবাহ এফসি-কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রূপ পর্বের যোগ্যতা অর্জন করলো অ্যান্থনী অ্যান্ড্রুসের দল। অলিভিয়া ও সৌম্যার গোলে ২-০ ফলে জয় পায় ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল।

তবে রবিবার আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের ছেলেরা যুবভারতীতে যা ফুটবল উপহার দিলেন তা দেখে মুগ্ধ ইস্টবেঙ্গল ভক্তরা। দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার পিভি বিষ্ণু-কে ছাড়াই এদিন মাঠে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। দলে ছিল মাত্র দুই বিদেশি। কিন্তু সেই নিয়েই পূর্ণশক্তির মোহনবাগানকে ধ্বংস করে দিলো লাল-হলুদ ব্রিগেড। সব সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে এদিন মোহনবাগানের লজ্জা আরও বাড়তে পারতো।

চলতি টুর্নামেন্টের গ্রূপপর্বের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ ফলে হারিয়েছিল মোহনবাগান। গোল করেছিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। কিন্তু এই ম্যাচে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মিডফিল্ডারকে ছাড়াই দল নমিয়েছিলেন গ্রিক কোচ পানাগিওটিস ডিলেমপেরিস। কিন্তু তার বদলে শুরু থেকে মাঠে নামা ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগুয়েল ছিলেন অত্যন্ত নিষ্প্রভ।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে মাঠে ফিরেই গোল! কেরিয়ারের শেষ মরশুমে ১০০০ গোল করেই বিদায় নিতে চান রোনাল্ডো
ম্যাচের ১০ মিনিটে বিপিন সিং দুরহ কোণ থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তার ঠিক এক মিনিট পরে দূরপাল্লার শটে গোল করেন এডমুন্ড। তারপর ২২ মিনিটে গোলরক্ষক বিশাল কাইথকে কাটিয়ে ফের বলে জাল জড়িয়ে ৩-০ করে দেন এডমুন্ড। এরপর ম্যাচের ৩৩ মিনিটে গোল করে মোহনবাগানের হয়ে গোল করে ব্যবধান কমিয়েছিলেন মনবীর। কিন্তু ম্যাচের ৪৪ মিনিটে জয় গুপ্তার ক্রস থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ন করে সবুজ-মেরুণ শিবিরের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেন এডমুন্ড। রশিদের অসাধারণ ও অধিনায়কোচিত ফুটবলের পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে নজর কাড়েন গোলরক্ষক প্রভসুখন গিল-ও।













