“আমরাও তালিকা করছি”, ভোটের মুখে পুলিশকে সরাসরি ‘হুশিয়ারি’ ব্রাত্য বসুর?

Published on:

Published on:

EC vs TMC Clash Peaks Before Polls Bratya Basu Issues Strong Warning to Police
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের ঠিক আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও শাসকদল এই তিনের মধ্যে সংঘাত নতুন মাত্রা নিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, কমিশনের নির্দেশে বিশেষভাবে তাদের নেতা-মন্ত্রীদের টার্গেট করা হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতেই রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর (Bratya Basu) কড়া বার্তা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক।

কী থেকে বিতর্ক?

ভোটের মুখে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট। তৃণমূলের দাবি, এই চ্যাটে নাকি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া দলের অন্য সব নেতা, মন্ত্রী এমনকি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের গাড়িতেও তল্লাশি চালাতে হবে। এখানেই বিতর্কের সূত্রপাত।

তৃণমূলের তরফে আরও অভিযোগ, ওই চ্যাটে আলাদা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরার নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে, অভিষেকের স্ত্রীর মাধ্যমে টাকা পাচার হতে পারে। শাসকদলের প্রশ্ন, একটি সাংবিধানিক সংস্থা কীভাবে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দল ও তাদের পরিবারকে এভাবে টার্গেট করতে পারে?

কী বললেন ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)?

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সরব হয়েছেন ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তৃণমূল নেত্রীর নম্রতা বা ভালোবাসাকে দুর্বলতা ভাবা ঠিক নয়। মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমাশীল হলেও, সবকিছু চুপচাপ মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর কথায়, অনেকেই ভাবছেন বিজেপির নির্দেশ মেনে চললে সমস্যায় পড়বেন না, কিন্তু বাস্তবটা তেমন নয়।

ব্রাত্য (Bratya Basu) আরও সতর্ক করে বলেন, যাঁদের চাকরির মেয়াদ এখনও অনেকদিন বাকি, তাঁদের এখন থেকেই সাবধান হওয়া উচিত। কারণ, বিজেপি যেমন তালিকা তৈরি করছে, তেমনই রাজ্য প্রশাসনও নজরদারি চালাচ্ছে। বিশেষ করে বেঙ্গল ক্যাডারের কিছু অফিসার বিজেপির নির্দেশ মেনে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তুলে তাঁদের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

Bratya Basu slams Central zero-admission report on West Bengal Education

আরও পড়ুনঃ ৮৫০ আসনের পথে লোকসভা! ডিলিমিটেশন বিল বিতর্কে সরব মমতা

এদিকে তৃণমূলের প্রকাশ করা স্ক্রিনশট নিয়েও তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। সেখানে অভিষেকের নাম ইংরেজিতে দু’ভাবে লেখা এবং কোনও পদবি ব্যবহার করা হয়নি। যদিও শাসকদলের দাবি, এটি তাদের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকেই উদ্দেশ্য করে লেখা। চ্যাটে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে, অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়ি যেন কোনওভাবেই তল্লাশির বাইরে না থাকে। পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে।