বাংলা হান্ট ডেস্ক: দেবীপক্ষের সূচনা হওয়ার দিনেই ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Garden) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মা দুর্গার আগমনী অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে বাংলার লোকসংস্কৃতি ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন করা হবে। এই প্রথমবার কলকাতার মহালয়ার অনুষ্ঠান ঘিরে থাকছে এরকম এক বিশেষ চমক। যেখানে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইডেন গার্ডেন্সে তিন হাজার ড্রোনের মিলিত একটি ড্রোন শো। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই জানিয়েছেন ওই ড্রোনের মাধ্যমে আকাশে মা দুর্গার আগমনকে তুলে ধরা হবে।
মহালয়ার দিন ইডেনে থাকছে একাধিক চমক (Eden Garden)
রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ১০ অক্টোবর ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Garden) দুর্গাপূজোর সূচনা উপলক্ষে এই বড় মাপের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। যেখানে বাংলা বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীদের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ঢাক, ছৌ নাচ ও গানসহ নানান রকমের সংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে। এছাড়াও থাকছে ড্রোন শো ও আতশবাজির আয়োজন।
কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যে বিভিন্ন জেলাতে ও আয়োজন করা হয়েছে একাধিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। তবে ইডেন গার্ডেনে প্রায় ৪০ হাজার দর্শকের উপস্থিতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। জানা যায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যপাল আরএনও রবি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রিসভার সদস্য ও সাংস্কৃতিক জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিগনেরা।

আরও পড়ুন: মহালয়ার দিন ফের বাড়ল সোনার দাম! জানুন আজকের লেটেস্ট রেট
তাছাড়া থাকবে ৪০টি কয়ারের সম্মিলিত গান ও ৩০০ জন নৃত্য শিল্পীর পরিবেশনা। পৌঁছতে পারবেন না সেই সকল দর্শকদের জন্য বিভিন্ন জায়গায় জায়েন্টস স্ক্রিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি রেড রোডে বারোটি জেলায় পৃথক প্রদর্শনী কেউ তুলে ধরা হবে লোকসংস্কৃতি, আঞ্চলিক ঐতিহ্য।
প্রসঙ্গত এই বছর দূর্গা পূজোর বিজয়ের সম্মেলনের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান,”২৬ তারিখে আমাদের পুজো কমিটিগুলোকে নিয়ে একটা মিলন মেলাতে বিজয়া সম্মিলনী হচ্ছে। সেটা একটু অভিনব স্টাইলে আমরা করছি এবারে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার খাবারের স্টল থাকবে সেখানে। মানে গতানুগতিক যে ওই ক্যাটারারের খাওয়ারের মতো নয়। বিভিন্ন জেলার যা বিখ্যাত খাবার আছে মানে সবই সেখানে চেষ্টা করব আমরা রাখার।”
এছাড়াও, আগামী ১১ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, কোচবিহার, বিষ্ণুপুর, মালদহ, বহরমপুর ও নিউ দীঘায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১০ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রিন্সেপ ঘাট, বাবুঘাট, কুমোরটুলি ঘাট ও মিলিনিয়াম পার্ক এবং রামকৃষ্ণপুর ঘাট সহ একাধিক নদী তীরবর্তী এলাকায় আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। তাছাড়া মহালয়ার ভোরের রেডিও ইনস্টলেশনের মাধ্যমে সম্প্রসারণ করা হবে মহিষাসুরমর্দিনী (Eden Garden)।













