বাংলাহান্ট ডেস্ক : মানা হল না নবান্নের আবেদন। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন আধিকারিককেই ট্রেনিংয়ে ডাকল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের ব্রিফিং বৈঠক। নির্ধারিত সময়সূচী মেনেই সমস্ত আধিকারিকদের বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
নবান্নের আবেদন খারিজ নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)
উল্লেখ্য, অসম, কেরালা, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস অফিসারকে কেন্দ্রীয় অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করার তালিকা প্রকাশ করে কমিশন। এই সিদ্ধান্তই পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছিল নবান্ন।

কী আর্জি ছিল নবান্নের: যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছিল, প্রাক নির্বাচন সময়ে শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকদের যদি বাইরে পাঠানো হয় তবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। বিশেষত স্বরাষ্ট্রসচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী ব্যক্তিকে এই সময় বাইরে পাঠালে রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলানো কঠিন হতে পারে বলে জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। মোট ১৭ জন আধিকারিককে কেন্দ্রীয় অবজারভারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আর্জি জানিয়ে বিকল্প নামও প্রস্তাব করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন : ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে লড়ছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়? বড় কথা বলে দিলেন শুভেন্দু
কী জানাল কমিশন: কিন্তু কমিশনের (Election Commission) তরফে বুধবার জানানো হয়েছে, পূর্বে জমা পড়া আবেদন বিবেচনা করেই তা খারিজ করা হয়েছে। তাই যাঁদের নামে আবেদন জমা পড়েছিল, তাঁদের নির্ধারিত সময়সূচী মেনেই বৈঠকে অংশ নিতে হবে।
আরও পড়ুন : ‘আমি কম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, দলের হয়ে লড়তে আসিনি’, শীর্ষ আদালতে বললেন মমতা
সেই সঙ্গে কমিশনের তরফে আরও বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত দ্রুত সকল আধিকারিকদের নজরে আনতে হবে, যাতে কোনও বিভ্রান্তি না থাকে। নবান্ন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মতোই স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিককে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।












