ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে লড়ছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়? বড় কথা বলে দিলেন শুভেন্দু

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : লম্বা সময় ধরে জেলে থাকার পর জামিন পেয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আর মঙ্গলবার বিধানসভায় নতুন দায়িত্ব পেলেন তিনি। বিধানসভার লাইব্রেরি কমিটির সদস্য করার পাশাপাশি আবাসন, অগ্নিনির্বাপন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির অন্তর্ভুক্তও করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে। নির্বাচনের প্রাক্কালে পার্থর এহেন ‘ঘর ওয়াপসি’ নিয়ে এবার তীব্র কটাক্ষে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে সরব শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

শুভেন্দু স্পষ্ট বলেন, আগামী নির্বাচনে যদি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ভোটেও দাঁড় করানো হয় তাহলেও তিনি অবাক হবেন না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বঙ্গ সফরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হয়তো তৃণমূল ভোটেও লড়াবে। সে চ্যালেঞ্জ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করে গিয়েছেন বেশ কিছু নাম ধরে’। তিনি আরও বলেন, এঁদের টিকিট না দেওয়া হলে তিনি বুঝবেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এঁদের কাজকে সমর্থন করেননি।

Suvendu adhikari opened up about partha chatterjee

কী বললেন বিরোধী দলনেতা: কটাক্ষ শানিয়ে শুভেন্দু বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ভোটে লড়লেও তাঁরা আশ্চর্য হবেন না, আবার তাঁর পদোন্নতি ঘটলেও তাঁরা আশ্চর্য হবেন না। এরপরেই শুভেন্দু বলেন, মালদা, মুর্শিদাবাদ জেলায় বাংলাভাষী মুসলিমরা একাধিক কারণে মুখ্যমন্ত্রীর উপরে ক্ষুব্ধ। সেই ভোট যাতে বিজেপিতে না যায়, তার জন্য হুমায়ুন কবীরকে দিয়ে অ্যান্টি তৃণমূল মুসলিম ভোটকে ধরে রাখতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

আরও পড়ুন : ট্রেনে ঠকিয়ে বেশি দাম নিচ্ছে? IRCTC অনুযায়ী এক প্লেট চিকেন থালির দাম কত জানেন?

তৃণমূলকে কটাক্ষ শুভেন্দুর: তিনি আরও বলেন, ‘এরপর যদি কয়েকটি আসন হুমায়ুনের লোকেরা জেতেন আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কম পড়ে, তখন কার্যত আবার হুমায়ুনকে সঙ্গে নেওয়া যেতে পারে’।

আরও পড়ুন : ‘তালিকা প্রকাশ করুন’, পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের তালিকা দিতে রাজ্যকে নির্দেশ হাইকোর্টের

একই সঙ্গে বামেদের তোপ দেগেও শুভেন্দু বলেন, প্রকাশ্যে তৃণমূল বিরোধিতা করলেও বামেদের রাজনীতির ফলে প্রায় ৬ শতাংশ ভোট কেটে শাসকদলেরই সুবিধা হচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনেও তাই ‘নো ভোট টু তৃণমূল’এর ডাক দেন বিরোধী দলনেতা।