বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে চাপ আরও বাড়ল। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে শুক্রবার বিকেলেই দিল্লিতে তলব করা হয়। সেখানে গিয়ে তাঁকে একাধিক নির্দেশ না মানার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। সূত্রের খবর, কমিশন তাঁকে স্পষ্টভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে এবং তা দ্রুত কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
‘ভূতুড়ে’ ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্দেশ কমিশনের (Election Commission)
গত অগস্ট মাসে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের নাম তোলার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় দুই ইআরও এবং দুই এআরও-কে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেয় কমিশন (Election Commission)। পাশাপাশি থানায় এফআইআর করার কথাও বলা হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাস কেটে গেলেও এফআইআর করা হয়নি। এবার কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ১৭ তারিখের মধ্যেই এফআইআর করতেই হবে। একই সঙ্গে আগের সব বাকি নির্দেশও মানতে হবে এবং রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
নবান্ন আগেই কী বলেছিল?
কমিশন চার আধিকারিক ও এক কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল। তার জবাবে নবান্ন জানায়, চারজনকে আপাতত সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। এফআইআর করতে হলে আরও কিছু সময় দরকার বলেও জানানো হয়েছিল।
কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও মামলা দায়ের হয়নি। তাই এবার কমিশন (Election Commission) স্পষ্ট ডেডলাইন বেঁধে দিল।
কমিশনের চিঠিতে আরও কী অভিযোগ?
কমিশনের চিঠিতে বলা হয়েছিল—
- দু’জন ইআরও, দু’জন এআরও ও এক ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
- এক এআরও ও বিডিও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়নি।
- তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারের বদলির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়নি।
- নিয়ম না মেনে এসডিও/এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার করা হয়েছে।
- রিটার্নিং অফিসার নিয়োগেও নির্দেশিকা মানা হয়নি।

আরও পড়ুনঃ ৬৪ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়ার সম্ভবনা! SIR শেষ হতেই সামনে এল ভোটার বাদ পড়ার বড় হিসাব
এই সব অভিযোগের ভিত্তিতেই কমিশন (Election Commission) এবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।












