নির্বাচনের আগে একাধিক সহায়ক ভোটকেন্দ্র তৈরি করল কমিশন

Published on:

Published on:

Election commission of india has set up several auxiliary polling stations
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোটের (Assembly Election 2026) মুখে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন প্রস্তুতি আরও জোরদার করছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। ভোটারদের ভিড় কমানো এবং নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নেওয়া হল। রাজ্যে নতুন করে ৪৬৬০টি সহায়ক ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ হাজার ৩৭৯। ভোটারদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই কমিশনের এই পদক্ষেপ।

সহায়ক বুথ তৈরি করল কমিশন (Election Commission of India)

কমিশনের নির্দেশ, প্রতিটি নতুন বুথে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে এবং ভোটারদের যাতে কোনও অসুবিধার মুখে পড়তে না হয়, তা দেখতে হবে। সেই কারণে বুথে বিদ্যুৎ সরবরাহ, শৌচালয় ও পানীয় জলের ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা স্তরে ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণও পুরোদমে চলছে। প্রশিক্ষণের শেষ দিনে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাঁদের ভোট প্রদান করবেন। তারপর তাঁরা নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দায়িত্ব নেবেন। কমিশন বুথ সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সহায়ক ভোটকেন্দ্র তৈরির সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছিল গত ৪ ই এপ্রিল। এবার তা বাস্তবায়ন করা হল। কমিশনের তরফে বলা হয়েছিল, যেসব বুথে ভোটারের সংখ্যা ১২০০-এর বেশি, সেখানে অতিরিক্ত সহায়ক বুথ গড়ে তোলা হবে, যাতে এক জায়গায় অতিরিক্ত ভিড় না হয়।

রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৩ এপ্রিল। ওই দফায় প্রধান বুথ রয়েছে ৪১ হাজার ৪১৮টি এবং সহায়ক বুথ ২৯৬০টি, অর্থাৎ মোট ৪৪ হাজার ৩৭৮টি বুথে ১৫২টি কেন্দ্রে ভোট হবে। দ্বিতীয় দফায় মোট বুথের সংখ্যা ৪১ হাজার ১টি, যার মধ্যে প্রধান বুথ ৩৯ হাজার ৩০১টি এবং সহায়ক বুথ ১৭০০টি। এছাড়াও, কয়েকটি বুথের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়েছে বলেও কমিশন জানিয়েছে।

Election commission of india has set up several auxiliary polling stations

আরও পড়ুন : অশান্ত নন্দীগ্রাম, বিজেপি নেতার ওপর হামলার অভিযোগ শেখ সুফিয়ানের বিরুদ্ধে

নতুন বুথের ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট এলাকায় যথাযথভাবে প্রচার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও ভোটার বিভ্রান্ত না হন। আসন্ন নির্বাচনে নির্বিঘ্ন ভোটপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে কমিশনের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।