বাংলা হান্ট ডেস্ক : নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে নয়া সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য আরও কড়াকড়ি কমিশনের। অতিরিক্ত ১১ জন পুলিশ অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোট প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারির লক্ষ্যে। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফায় যে বিচ্ছিন্ন অশান্তির খবর মিলেছিল, দ্বিতীয় দফায় যাতে এমন কিছু ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, এই কারণেই অতিরিক্ত পুলিশ অবজারভার নিয়োগ করল কমিশন।
অতিরিক্ত পুলিশ অবজারভার নিয়োগ কমিশনের (Election Commission of India)
বঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচনে ৮৪ জন পুলিশ অবজারভার রাখা হয়েছিল, যা আগের তুলনায় বেশি। এখন দ্বিতীয় পর্বের আগে সেই সংখ্যায় আরও সংযোজন করা হল। বিশেষভাবে সংবেদনশীল এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন যাঁরা দায়িত্ব পেয়েছেন, তাঁরা সকলেই অন্য রাজ্য থেকে এসেছেন, তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য পুলিশ। ইতিমধ্যেই, ২৩ এপ্রিল, ১৫২ টি কেন্দ্রে প্রথম দফার ভোট সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১৪২ টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৯ এপ্রিল।
প্রথম দফার ভোটে কিছু বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনার সামনে আসলেও, পরিস্থিতি তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে ছিল। এবারের প্রথম দফার নির্বাচনে
ভোটদানের হার ৯২.৮৮ শতাংশ। ভোট উৎসবে এই বিপুল মানুষের অংশগ্রহণের জন্য ভোটারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বঙ্গে এই প্রথম এত শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন।
ভোট না দিলে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ হয়ে যেতে পারে এই আশঙ্কাতে বাইরে কর্মরত বহু মানুষ ভোট দিতে বঙ্গে ফিরেছেন। যদিও প্রথম পর্বে কোথাও ইভিএম বিকল হওয়া, আবার কোথাও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের ভোট দিতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই সব বিষয়গুলি কমিশনের সামনে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

আরও পড়ুন : ‘জ্যোতিপ্রিয় ১০ হাজার কোটি দুর্নীতির ৭৫% মমতার বাড়িতে পাঠিয়েছেন’ বিস্ফোরক শুভেন্দু
অনেক বছর পর রাজ্যে মাত্র দুই ধাপে নির্বাচন হচ্ছে। ভোটের সূচি ঘোষণার সময়ই কমিশন জানিয়েছিল, ধাপ কম হলেও নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কোনও ত্রুটি রাখা হবে না। সেই অনুযায়ী, ২৯৪টি কেন্দ্রের জন্য আলাদা সাধারণ অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে। প্রথম ধাপের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, দ্বিতীয় ধাপের আগে নজরদারি আরও বাড়ানোয় নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।













