‘অতি স্পর্শকাতর’ বুথের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিল কমিশন

Published on:

Published on:

Election Commission of India takes special measures for 'highly sensitive' booths
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : বিধানসভা ভোট (Assembly Election) যত এগিয়ে আসছে, ততই কড়াকড়ি বাড়ছে বাংলায়। শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। বিশেষ করে প্রথম দফার ভোটের আগে বুথগুলির নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করতে কমিশনের এই উদ্যোগ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্পর্শকাতর বুথের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা কমিশনের (Election Commission of India)

নির্বাচনী আবহে কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হচ্ছে বাংলাকে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় সব বুথই ‘স্পর্শকাতর’ বলে চিহ্নিত হয়েছে। প্রায় ৮ হাজার বুথকে ‘অতি স্পর্শকাতর’ বুথ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী ২৩ এপ্রিল বঙ্গে প্রথম দফার নির্বাচন। এই প্রথম দফার ১৫০০ টি বুথ নিয়ে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করেছে কমিশন।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে প্রযুক্তির ওপর ভরসা করেছে কমিশন। বুথ জ্যামিং ঠেকাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। ভোটের আগের রাত থেকেই সমস্ত বুথের ক্যামেরা সচল রাখা হবে। এই ক্যামেরাগুলি সরাসরি সংযুক্ত থাকবে কমিশনের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে। সারারাত কড়া নজর রাখবেন কমিশনের বিশেষ আধিকারিকেরা।

জানা গেছে প্রত্যেকটি বুথে মোট দুটি করে ক্যামেরা বসানো থাকবে। অতি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে অতিরিক্ত ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে মক পোল শেষ হওয়ার পরই ক্যামেরা সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা জানাতে হবে কমিশনকে। কমিশনের তরফে, প্রিসাইডিং অফিসারের জন্য বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Election Commission of India takes special measures for 'highly sensitive' booths

আরও পড়ুন : শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে, ৫০ হাজার টাকার জরিমানার নির্দেশ কমিশনের

শুধু নিরাপত্তাই নয়, ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতেও সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে প্রশাসন। ভোটারদের ভোটমুখী করতে জেলায় জেলায় প্রচার চালিয়েছে কমিশন। কমিশনের লক্ষ্য শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ নির্বাচন সুনিশ্চিত করা, সে কথাই বারবার স্পষ্ট করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। কড়া নজরদারি ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে এবার ভোট প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করে তুলতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। এখন ভোটের দিনগুলিতে এই পরিকল্পনা কতটা সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেটাই দেখার।