বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যজুড়ে সমীক্ষা চালানোর পর মোট ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধ (Madrasa Closure) করার নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। একই সাথে আরও ১০০ টি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে জারি হয়েছে শোকজ নোটিশ। তারপরেই এদিন এই সরকারি নির্দেশের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)।
২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশের বিরুদ্ধে নওশাদ সিদ্দিকী
একধাক্কায় মোট ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়ে এদিন তিনি জানিয়েছেন, ‘এই যে ঘোষণা করেছে অবৈধ বলে, এই ধরণের ঘোষণা কতটা বৈধ সাংবিধানিক পরিসর থেকে যদি দেখা যায়, তাহলে উওর দেওয়া যাবে। প্রথমত আমরা বলি উত্তরপ্রদেশের বেশ কিছু মাদ্রাসায় তালা লাগিয়ে দিয়েছিল, সিল করে দিয়েছিল। প্রশাসনকে পাঠিয়ে কোর্টের ধমক খেয়ে আবার ফিরে আসতে হয়েছিল তালা আবার প্রশাসন থেকেই খুলে দিয়েছে।’
এরপরেই জোর গলায় নওশাদ এদিন দাবী করলেন, ‘আমি এটা জোর গলায় বলছি আর্টিকেল ২৫, ২৬ আর্টিকেল ১৩ দেখে নিন। ব্যাপারটা হচ্ছে এরা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সব ফেলিয়র হয়েছে। ফলে মুসলিমদের ওপরে কিছু ওদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ওদেরকে ডিস্টার্ব করা এই সমস্ত করে এটাকে উন্নয়ন বলে চালানোর চেষ্টা করছে। বা কখনও তসলিমা নাসরিনের মত কাউকে নিয়ে এসে দুটো কথা বলিয়ে দিয়ে এটাকে উন্নয়ন বলে চালাচ্ছে। যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার আজকে কি অবস্থা, ২০০ মিনিট বিদ্যুৎ ফ্রী দেওয়ার কথা ছিল এখন দিতে পারছে না, সাড়ে চারশো টাকায় গ্যাস দিতে পারছে না। এইগুলো ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই এই অন্যায় গুলো করছে।’
আরও পড়ুনঃ জেলার স্কুলে আর মিড ডে মিল দেবে না ইসকনের অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন! নোটিশ রাজ্যের
প্রসঙ্গত নওশাদের কেন্দ্র অর্থ্যাৎ ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে মোট তিনটি মাদ্রাসাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এপ্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে নওশাদ সিদ্দিকী বললেন, ‘আমরা মাদ্রাসার যারা কমিটি আছে তাদের সাথে কথা বলছি। কোন নোটিশ দিয়েছে, কি দিয়েছে, তাদের সাথে কথা বলছি। আমি আবারও বলছি উত্তরপ্রদেশে, উত্তরাখন্ডে এই ধরনের অন্যায় করছিল। সংখ্যা বেশি, সংখ্যার জোর দেখিয়ে এগুলোকে শাট ডাউন করার চেষ্টা করেছিল। পরবর্তীতে কোর্টের ধাক্কা খেয়ে আবার প্রশাসন গিয়ে খুলে দিয়েছে।’
আইএসএফ বিধায়কের আরও দাবী, ‘আমি জোর গলায় বলছি, কোন জায়গায় যদি অন্যায় কাজ হয় তার পক্ষে আমি কোনদিন ছিলাম না, আগামীতেও থাকবো না । কিন্তু অন্যায় করে যদি কোথাও কোন প্রতিষ্ঠান কে বন্ধ করার চেষ্টা হয়, সেই প্রতিষ্ঠানের হয়ে আমি আইনি লড়াই করব।’













