শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে, ৫০ হাজার টাকার জরিমানার নির্দেশ কমিশনের

Updated on:

Updated on:

To ensure peaceful elections, the commission has ordered a fine of 50,000
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (Assembly Election 2026) নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজন কড়া নজরদারি ও কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ। অতীতে নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই শিক্ষা নিয়ে এবারের নির্বাচনে শুরু থেকেই সতর্ক কমিশন (Election Commission)। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সম্ভাব্য গোলমাল রুখতে এবার আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কমিশনের (Election Commission) নির্দেশে বাড়ল জরিমানা

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রশাসনের নজর বাড়ছে আইনশৃঙ্খলার উপর। যে কোনও ধরনের অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল জেলা প্রশাসন। ভোটের আগে শান্তি ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাঁদের জন্য ১০৭ ধারার অধীনে নোটিশ দেওয়া হত।আগে এই ধরনের ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের ১০৭-এর নোটিস দিয়ে মাত্র ১০০০ টাকার বন্ড জমা দিতে হত। এবার বন্ডের পরিমাণ এক ধাক্কায় বহু গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হল।

প্রশাসনের দাবি, এত কম অঙ্কের কারণে অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতেন না। ফলে নিয়মের কার্যকারিতা কমে যাচ্ছিল। সেই কারণেই এবার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে বন্ডের পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ হাজার, ২৫ হাজার থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।এমনকি অভিযুক্তদের থেকে মুচলেকাও নেওয়া হবে‌। অভিযুক্তরা মুচলেকা জমা দিয়ে প্রতিশ্রুতি দেবে যে, তাঁরা এলাকায় কোনওরকম অশান্তি সৃষ্টি করবেন না।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, যদি কেউ এই মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করেন, তবে তাঁকে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা হবে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ইতিমধ্যেই প্রায় এক হাজার ব্যক্তির কাছ থেকে এই উচ্চ অঙ্কের বন্ড নেওয়া হয়েছে।

To ensure peaceful elections, the commission has ordered a fine of 50,000

আরও পড়ুন : ‘লাভলিকে ভুল শুধরে নেওয়ার..’ সোনারপুর প্রচারসভায় তৃণমূল প্রার্থীর জন্য আবেদন মমতার

এই প্রসঙ্গে জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা বলেন, “এখানে সিইও স্যরের ভিসিট হয়েছিল। তারপর কমিশনের সঙ্গে মিটিং হয়। আগে এই ১০৭ এর বন্ডের টাকার অঙ্কের পরিমাণ কম ছিল। তাই এই বন্ডের অঙ্কটা বাড়ানোর জন্য রিকোয়েস্ট করা হয়েছিল। এখন বন্ডের অঙ্কটাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।” প্রশাসনের মতে, বন্ডের অঙ্ক বাড়ানোর ফলে মানুষ বিষয়টিকে আরও গুরুত্ব সহকারে নেবেন এবং আইন ভাঙার প্রবণতা কমবে। সব মিলিয়ে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই কড়া পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।