ভোট-সংক্রান্ত ঘটনায় আইনভঙ্গ হলেই থাকবে না চাকরি! পুলিশ আধিকারিকদের কড়া হুঁশিয়ারি কমিশনের

Published on:

Published on:

Election Commission of India warned police officers about violating law in election.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (Assembly Election) কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। তার মধ্যেই ভোট প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনিক স্তরে আরও কঠোর অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ আধিকারিকদের দায়িত্ব নিয়ে স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

পুলিশকে কমিশনের (Election Commission of India) নির্দেশ:

রাজ্যে বিধানসভা ভোটপর্ব শুরুর আগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দফতর সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন থানার ওসি‌ এবং এসডিপিও-দের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, কমিশনের নির্দেশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে ভোট সংক্রান্ত যেকোনও ধরনের অশান্তি বা বিশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে তার সরাসরি দায় বর্তাবে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিওর উপর।

কমিশন আরও জানিয়েছে, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি বা কর্তব্যে অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এমনকি গুরুতর পরিস্থিতিতে তাদের বরখাস্ত করা বা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ভোটের সময় বোমা বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে বলে কমিশন স্পষ্ট করেছে। কোনও ধরনের রাজনৈতিক সংঘর্ষ বা হিংসার ঘটনা ঘটলে প্রথম দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকেই নিতে হবে।

Election Commission of India warned police officers about violating law in election

আরও পড়ুন : হলফনামায় ত্রুটির অভিযোগ! অদিতি মুন্সি মামলায় কমিশনের রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট

প্রসঙ্গত, ভোটের আগে ইডি, সিবিআই ও আয়কর দফতরের সক্রিয়তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই পুলিশকে বার্তা দিলেন কমিশন। আসন্ন ভোটপর্ব শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাই এখন মূল লক্ষ্য বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।