বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। এই ভোট প্রক্রিয়াকে নির্বিঘ্ন করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা থাকে পোলিং কর্মীদের। তাই সরকারি কর্মচারীদের জন্য ভোটের ডিউটির আগে ট্রেনিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কবে, কীভাবে এই প্রশিক্ষণ হবে, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল থাকে। এবার সেই সম্ভাব্য সময়সূচি ও পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে একটি স্পষ্ট ধারণা মিলেছে (Election Duty Training)।
পদ অনুযায়ী ট্রেনিংয়ের ভাগ (Election Duty Training)
ভোটকেন্দ্রে প্রত্যেক কর্মীর আলাদা দায়িত্ব থাকে। সেই অনুযায়ী তাঁদের ট্রেনিংয়ের সংখ্যাও নির্ধারিত হয়। প্রিজাইডিং অফিসার এবং ফার্স্ট পোলিং অফিসার, এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মীদের ওপর বুথের মূল দায়িত্ব থাকে। তাই তাঁদের মোট তিনটি ধাপে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় (Election Duty Training)। অন্যদিকে, সেকেন্ড ও থার্ড পোলিং অফিসারদের ক্ষেত্রে ট্রেনিংয়ের সংখ্যা কিছুটা কম, তাঁদের জন্য রাখা হয় দুটি সেশন।
হাতে-কলমে শেখানো হবে EVM ও VVPAT
শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, ভোটের কাজে সবচেয়ে জরুরি হল ইভিএম (EVM) ও ভিভিপ্যাট (VVPAT) সঠিকভাবে ব্যবহার করা। তাই প্রিজাইডিং ও ফার্স্ট পোলিং অফিসারদের জন্য বিশেষভাবে রাখা হয়েছে ‘হ্যান্ডস-অন’ ট্রেনিং (Election Duty Training)। এই পর্বে কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট চালানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফর্ম পূরণের নিয়ম, সবকিছু হাতে-কলমে শেখানো হবে।
দ্বিতীয় ট্রেনিংয়ে টিম গঠনের সুযোগ
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল গ্রুপ ট্রেনিং। সাধারণভাবে যেটিকে অনেকেই দ্বিতীয় ট্রেনিং বলে থাকেন। এই পর্যায়ে কর্মীরা জানতে পারবেন তাঁদের ডিউটি কোন বিধানসভা কেন্দ্রে পড়েছে। পাশাপাশি, যাঁদের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, তাঁদের সঙ্গে পরিচয়ও হয়ে যাবে। ফলে ভোটের দিন কাজ করা অনেক সহজ হয়।
সম্ভাব্য সময়সূচি কী বলছে?
নির্বাচনের আগে কর্মীদের সুবিধার জন্য একটি প্রাথমিক সময়সূচি সামনে এসেছে। সেটা হল –
- প্রথম ট্রেনিং: ২৭ মার্চ থেকে ২৯ মার্চের মধ্যে, সব স্তরের পোলিং কর্মীদের জন্য
- হ্যান্ডস-অন ট্রেনিং: ৪ এপ্রিল থেকে ৫ এপ্রিল, শুধুমাত্র প্রিজাইডিং ও ফার্স্ট পোলিং অফিসারদের জন্য
- চূড়ান্ত গ্রুপ ট্রেনিং: প্রথম দফার কর্মীদের জন্য ১৬ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফার কর্মীদের জন্য ১৯ এপ্রিলের আশেপাশে

আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ঘোষণা হতেই কড়া কমিশন! আচরণবিধি নিয়ে জারি ৮ নির্দেশিকা, নিশানায় কারা?
তবে এই সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত নয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন তারিখে পরিবর্তন আনতে পারে। তাই সরকারি কর্মচারীদের এই তালিকাকে প্রাথমিক ধরে রেখে নিজেদের পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে বলা হচ্ছে (Election Duty Training)।












