ভোটের দিন ঘোষণা হতেই কড়া কমিশন! আচরণবিধি নিয়ে জারি ৮ নির্দেশিকা, নিশানায় কারা?

Published on:

Published on:

Election Commission drops plan for separate polling booths in housing complexes
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের দিন ঘোষণা হতেই একের পর এক করা পদক্ষেপ নিতে শুরু করল ইলেকশন কমিশন (Election Commission)। এবার যেন কোনওভাবেই নিয়ম ভাঙা না হয়, সেই জন্যই একের পর এক নতুন নির্দেশ জারি করা হয়েছে। রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে প্রশাসন, সবাইকে সতর্ক করে দিয়েছে কমিশন।

কী কী নতুন নিয়ম জারি করল কমিশন (Election Commission)?

পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচটি রাজ্যে ভোটের আগে আচরণবিধি ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, সেটার উপর কড়া নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তাই নতুন করে ৮টি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ গুলি হল –

সরকারি অফিস বা জায়গা থেকে সব রাজনৈতিক পোস্টার, ব্যানার, হোর্ডিং সরাতে হবে।

কোনও দল সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে প্রচার করতে পারবে না। এমনকি সরকারি টাকা খরচ করে প্রচার করাও পুরোপুরি বন্ধ।
কারও বাড়ির সামনে সভা করতে হলে আগে অনুমতি নিতে হবে।
দেওয়ালে লেখা বা পতাকা লাগাতেও বাড়ির মালিকের সম্মতি জরুরি।

অভিযোগ জানাতে কী ব্যবস্থা?

নির্বাচনের সময় কোনও অনিয়ম দেখলে সরাসরি অভিযোগ জানানো যাবে। এর জন্য ১৯৫০ নম্বরে ফোন করা যাবে। এছাড়া ‘সি-ভিজিল’ অ্যাপের মাধ্যমেও অভিযোগ করা যাবে। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, অভিযোগ এলেই ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই জন্য হাজার হাজার ফ্লাইং স্কোয়াড ও নজরদারি দল মোতায়েন করা হচ্ছে।

প্রশাসনের জন্য কড়া নির্দেশ

প্রশাসনকে স্পষ্ট বলা হয়েছে কোনও পক্ষ নেওয়া চলবে না। সবাইকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে। সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে। কোনও রাজনৈতিক দল সভা করতে চাইলে আগে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। যে আগে আবেদন করবে, নিয়ম মেনে তাকেই অনুমতি দেওয়া হবে।

কারা দপ্তরের হঠাৎ বদল কেন?

ভোটের ঘোষণা হতেই প্রশাসনে বেশ কিছু বদল করা হয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে কারা দপ্তরের ডিজি পদ নিয়ে। এই পদে নটরাজন রমেশ বাবুকে বসানো হয়েছে। এর আগে এই দায়িত্বে ছিলেন সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, যাকে পরে রাজ্য পুলিশের ডিজি করা হয়েছে।

Election Commission to allow unmapped voters in SIR process

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বড় চমক! কারা বাদ পড়ছেন, নতুন প্রার্থী কারা?

জানা যাচ্ছে, ভোটের সময় জেল থেকে অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কমিশনের (Election Commission) কাছে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভোটের আগে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। তাই এবার শুরু থেকেই কড়া নজরদারি চালানোর প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে তারা।