বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের ডিউটি (Election Duty) পড়লেই অনেকের মনে প্রথম প্রশ্ন আসে তাহলে নিজের ভোটটা দেবেন কীভাবে? অনেকেই ভাবেন, ডিউটিতে থাকলে হয়তো ভোট দেওয়ার সুযোগই মিস হবে। কিন্তু আসলে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও ফর্মের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। তবে সঠিকভাবে ফর্ম পূরণ না করলে ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। তাই আগে থেকেই পুরো প্রক্রিয়াটা সহজভাবে বুঝে রাখা খুবই জরুরি।
কোন ফর্ম কার জন্য ব্যবহার করবেন (Election Duty)
নির্বাচনের ডিউটি (Election Duty) পড়লে মূলত দুটি ফর্মের সাহায্যে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকে। ফর্ম ১২ এবং ফর্ম ১২এ। যদি নিজের বিধানসভা এলাকার বাইরে ডিউটি পড়ে, তাহলে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে ফর্ম ১২ পূরণ করতে হয়। আর যদি নিজের এলাকাতেই ডিউটি থাকে, তাহলে ইলেকশন ডিউটি সার্টিফিকেট (EDC) ব্যবহার করে ভোট দেওয়ার জন্য ফর্ম ১২এ জমা দিতে হয়। প্রথম ট্রেনিংয়ের সময় সাধারণত ডিউটির নির্দিষ্ট জায়গা জানা যায় না। সেই কারণে পুরুষ ভোটকর্মীদের অনেকেই দুটি ফর্মই জমা দিয়ে রাখেন। মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময় স্থানীয় ডিউটি পড়ে, তাই তাঁদের জন্য সাধারণত ফর্ম ১২এ-ই যথেষ্ট।
ফর্ম জমা দেওয়ার আগে কী প্রস্তুতি দরকার?
ফর্ম পূরণের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সঙ্গে রাখা জরুরি। ভোটার কার্ডের কপি এবং প্রথম ট্রেনিংয়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারের জেরক্স রাখতে হবে। এছাড়া নিজের পার্ট নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর জানা খুবই প্রয়োজন। এই তথ্য অনলাইনে ভোটার তালিকা থেকে খুঁজে নেওয়া যায়। অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারে দেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যও একবার মিলিয়ে দেখা উচিত। কোথাও ভুল থাকলে সেটি ঠিক করে জমা দিতে হবে।
ফর্ম ১২ কীভাবে পূরণ করবেন?
ফর্ম ১২-তে প্রথমেই নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর লিখতে হবে। এরপর ভোটার তালিকা অনুযায়ী নিজের নাম, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর উল্লেখ করতে হবে। পোস্টাল ব্যালট কোথায় পেতে চান, সেই ঠিকানাটি স্পষ্টভাবে পিন কোডসহ লিখতে হবে। সবশেষে সই, মোবাইল নম্বর এবং এপিক নম্বর দিতে হয়।
ফর্ম ১২এ পূরণের নিয়ম
ফর্ম ১২এ-তে রিটার্নিং অফিসারের উদ্দেশ্যে নিজের বিধানসভা ও সংশ্লিষ্ট লোকসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর লিখতে হয়। ডিউটির (Election Duty) নির্দিষ্ট বুথ প্রথমে জানা না থাকায় সেই অংশ ফাঁকা রাখা যেতে পারে।এরপর নিজের পার্ট ও সিরিয়াল নম্বর লিখে ফর্মে স্বাক্ষর করে যোগাযোগ নম্বর দিয়ে জমা দিতে হয়।

আরও পড়ুনঃ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বাড়লেই বদলে যাবে বেতন কাঠামো, কে কত টাকা পাবেন? অষ্টম পে কমিশনের হিসেব জানুন
কখন জমা দিতে হবে এই ফর্ম?
এই দুটি ফর্ম সাধারণত প্রথম প্রশিক্ষণের (Election Duty) দিনেই জমা নেওয়া হয়। তাই আগে থেকেই সব তথ্য ঠিকঠাক প্রস্তুত করে রাখা দরকার। সময়মতো সঠিকভাবে ফর্ম জমা দিতে পারলে ডিউটির মধ্যেও নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সহজ হয়ে যায়।












