সামান্য বিলের আড়ালে কোটি কোটি টাকা! কয়লা মামলায় বড় সাফল্য ED-র

Published on:

Published on:

Enforcement Directorate Seizes 100 Crore Assets in Coal Smuggling Case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের মুখে ফের সরব হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। কয়লা পাচার মামলায় একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে তদন্তকারীরা। এবার পুরনো মামলাতেই ‘লালা সিন্ডিকেট’-এর ১০০ কোটিরও বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হল।

১০০ কোটের বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডির ((Enforcement Directorate)

শুক্রবার কয়লা পাচার-কাণ্ডের প্রথম দিকের দায়ের হওয়া মামলায় ১০০ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (Enforcement Directorate)। এর ফলে এই মামলায় মোট বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়াল ৩২২ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।

তদন্তকারীরা এই বিপুল সম্পত্তির খতিয়ান পেলেন কীভাবে?

সূত্রের খবর, গত ৪ জানুয়ারি দিল্লি ও কলকাতায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়। সেই অভিযানে লালা সিন্ডিকেটের তৈরি প্রায় ১০০ কোটির সম্পত্তির নথি উদ্ধার হয়। এরপরই শুরু হয় বাজেয়াপ্তির প্রক্রিয়া। তদন্তকারী (Enforcement Directorate সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়লা পাচারের টাকা দুই বেনামী সংস্থার মাধ্যমে জমি কেনা এবং মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা হয়েছিল। ভুয়ো চালানে ১০ বা ২০ টাকার নোট আটকে তার ছবি ব্যবহার করে লেনদেন দেখানো হত। সামান্য অঙ্কের এই চালানের আড়ালেই তৈরি হয় শতকোটির সম্পত্তি। তদন্তকারীদের অনুমান, লালা সিন্ডিকেটের মোট দুর্নীতির অঙ্ক ২ হাজার ৭০০ কোটিরও বেশি হতে পারে।

একদিকে পুরনো মামলায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, অন্যদিকে নতুন মামলায় তলব প্রক্রিয়াও চলছে। সম্প্রতি কয়লা পাচার সংক্রান্ত নয়া মামলায় বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে তলব করে ED (Enforcement Directorate। নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি উপস্থিত হননি। শুক্রবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ ফের হাজিরা দিতে বলা হয়। তখনও তিনি অনুপস্থিত থাকেন। তাঁর পরিবর্তে আইনজীবী শুভ্রাংশু পাল এবং দেবতনু দাস হাজির হন। তাঁদের কাছ থেকে মনোরঞ্জন মণ্ডল এবং তাঁর বাবা-মায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা।

Enforcement Directorate Seizes Assets Worth 4 Crore in New Coal Smuggling Case

আরও পড়ুনঃ ‘সন্ধ্যা ৬টার ডেডলাইন’, ট্যাংরার পেই মে স্কুল নিয়ে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই। রাজ্যে রেলের বিভিন্ন সাইডিং এলাকা থেকে কয়লা চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর প্রথমে আয়কর দফতর, পরে সিবিআই তদন্তে নামে। সেখান থেকেই সামনে আসে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালা এবং তাঁর সিন্ডিকেটের নাম। গত বছর এই কয়লা পাচার-কাণ্ডে আরও একটি মামলা দায়ের করে ইডি (Enforcement Directorate। ভোটমুখী বাংলায় সেই তদন্তেই এখন নতুন গতি দেখা যাচ্ছে।