বাংলা হান্ট ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত এই বর্ষীয়ান নেতার সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে বিধানসভায় তাঁর একটি সাক্ষাৎ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।
ফিরহাদকে (Firhad Hakim) ঘিরে কেন জল্পনা ?
সোমবার বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কক্ষে যেতে দেখা যায় ফিরহাদ হাকিমকে। সেখানে পৌঁছনোর সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক সন্দীপন সাহা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলানোর পর থেকেই তৃণমূলের একাংশের মধ্যে মতভেদের খবর সামনে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটে ফিরহাদকে ঘিরেও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তাঁর অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে পরিচিত ফিরহাদ।
সম্প্রতি কলকাতার মেয়রের পদ ছেড়ে দেন ফিরহাদ হাকিম। সূত্রের দাবি, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি দলনেত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা নবান্নের বৈঠকেও তাঁকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। কলকাতা বন্দরের বিধায়ক হিসেবে সেই বৈঠকে যোগ দিলেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসে। এই আবহেই সোমবারের ঘটনা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। বর্তমানে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ‘নব তৃণমূল ব্লক’। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্বও রয়েছে ঋতব্রতের কাঁধে।

আরও পড়ুন : তৃণমূলে ফের ভাঙন! স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বড় সিদ্ধান্ত জানালেন ২০ জন ‘বিক্ষুব্ধ’ সাংসদ
অন্যদিকে, এই দুই নেতাকেই ইতিমধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে তাঁদের সঙ্গে ফিরহাদের সাক্ষাৎকে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে মানতে নারাজ রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
এই যোগাযোগ ভবিষ্যতের কোনও রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে কি না, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত ফিরহাদ হাকিম নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেননি।













