বাংলা হান্ট ডেস্ক: সম্প্রতি পেট্রোল ও ডিজেলের দাম লিটারে প্রায় তিন টাকা বেড়ে গিয়েছে (Fuel Price)। পাশাপাশি এই দাম যে শুধুমাত্র পেট্রোল অথবা ডিজেলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে তা নয়। কারণ জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির জেরে অনেক ধরনের জিনিসের দাম বেড়ে যেতে পারে। যেখানে প্রতিদিনের ব্যবহৃত জিনিস রয়েছে। আরে দাম বৃদ্ধির ফলে যথারীতি পকেটে চাপ পড়তে চলেছে মধ্যবিত্তের।
তেলের দামের প্রভাব পড়তে পারে নিত্যদিনের বাজারে (Fuel Price)
পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকে শুরু করে মাসিক মুদি দোকানের বিল পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া বিশেষজ্ঞ ও FMCG কোম্পানিগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে, অপরিশোধিত তেলের দাম অস্থিরতা ও ক্রমবর্ধমান পরিবহন খরচ ধীরে ধীরে জনসাধারণের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দামের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে (Fuel Price)।

আরও পড়ুন: বাসি রুটি গরম করলেই কড়কড়ে? এই টিপস মানলেই মিলবে টাটকা স্বাদ
এর ফলে পারিবারিক বাজেট, মুদি দোকানের বিল ও দৈনন্দিন পরিষেবায় প্রভাব পড়বে। FMCG কোম্পানিগুলো ইতিমধ্যে খরচের চাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ শুরু করেছে। পাশাপাশি বিস্কুট, ম্যাক্স ও ইনস্ট্যান্ট নুডুলস জাতীয় খাবারগুলির লজিস্টিক নেটওয়ার্ক এর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। যার ফলে পরিচালন ব্যয়ের ৬ থেকে ১০ শতাংশ লজিস্টিক খাতে খরচ হবে।
এছাড়াও দাম বৃদ্ধি হতে পারে সাধারণ শ্যাম্পু, সাবান, ডিটারজেন্ট এর মতন জিনিসের। পাশাপাশি দাম বৃদ্ধি হয়েছে দুধ ও দুগ্ধ জাতীয় পণ্যের। সম্প্রতি আমল ও মাদার ডেয়ারি প্রতি লিটার দুধের দাম ২ টাকা করে বাড়িয়েছে। পাশাপাশি দুধের দাম বাড়ায় দুধ থেকে তৈরি হওয়া জিনিসের দাম বেড়েছে।
এছাড়াও দাম বেড়েছে শাক সবজি থেকে শুরু করে প্যাকেটজাত খাদ্য দ্রব্যের। এবং কৃষকরা প্রধানত যেহেতু ডিজেল চালিত যন্ত্রপাতির ওপর নির্ভর করে। তাই এই ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষক পরিচালনা খরচ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বর্ধিত কৃষি ব্যয় গ্রাউন্ড দের কাছে পৌঁছানো খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও দাম বৃদ্ধি হতে পারে অনলাইন ডেলিভারির উপরও (Fuel Price)।













