১৫ দিন অন্তর বেতন! সরকারি কর্মীদের জন্য হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত কেন?

Published on:

Published on:

Government Employees
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নেপালে সরকারি কর্মীদের (Government Employees) বেতন দেওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। এতদিন যেখানে মাসে একবার বেতন দেওয়া হত, এখন থেকে তা মিলবে মাসে দু’বার। অর্থাৎ প্রতি ১৫ দিন অন্তর কর্মীদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে। সরকারের দাবি, এই নতুন পদ্ধতিতে কর্মীদের হাতে দ্রুত টাকা পৌঁছবে এবং তার প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতেও।

নেপালের সরকারি কর্মীদের (Government Employees) বেতন কাঠামোয় বড় বদল

নেপাল সরকার সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার ফলে সরকারি কর্মীরা (Government Employees) এবার থেকে পাক্ষিক ভিত্তিতে বেতন পাবেন। গত ১৭ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রকের স্তরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং তা কার্যকর করার জন্য ইতিমধ্যেই একটি সার্কুলার জারি হয়েছে।

সাধারণত বিশ্বে বেশিরভাগ দেশেই মাসে একবার বেতন দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নেপালের এই পদক্ষেপ বেশ ব্যতিক্রমী বলেই মনে করা হচ্ছে। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য দেশের অর্থনীতিকে আরও সক্রিয় করে তোলা।

সরকারের যুক্তি, কর্মীদের (Government Employees) হাতে যদি ঘন ঘন টাকা পৌঁছয়, তাহলে তাঁদের খরচের পরিমাণও বাড়বে। এর ফলে বাজারে টাকার প্রবাহ বা ‘ক্যাশ ফ্লো’ বাড়বে, যা অর্থনীতির গতিকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করতে পারে। এ বিষয়ে নেপালের ফিন্যান্সিয়াল কম্পট্রোলার জেনারেল অফিসের মুখপাত্র দীপক লামিছানে জানিয়েছেন, এই নতুন ব্যবস্থা চালু করতে প্রযুক্তিগত দিক থেকে কোনও সমস্যা নেই। তাঁর কথায়, অসামরিক কর্মী, সেনা, পুলিশ, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, সবাইকে যে কোনও সময় বেতন দেওয়ার সক্ষমতা সরকারের রয়েছে।

তবে পুরো বিষয়টি বাস্তবে রূপ দিতে কিছু আইনি জটিলতা থাকতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। কারণ নেপালের ‘সিভিল সার্ভিস অ্যাক্ট’-এ বর্তমানে বেতন দেওয়ার নিয়ম মাসিক ভিত্তিতেই নির্ধারিত আছে।

Government Employees(38)

আরও পড়ুনঃ ২৭ লক্ষের মধ্যে মাত্র ১৩৬ জনের ভোটাধিকার? ট্রাইবুনালের রায়ে শুরু বিতর্ক

এই আইনের ২৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী, সরকারি কর্মীরা (Government Employees) প্রতি মাস শেষ হওয়ার পর বেতন ও অন্যান্য ভাতা পান। ফলে নতুন নিয়ম কার্যকর করতে গেলে আইনে সংশোধন আনতে হতে পারে। তবে সরকার কীভাবে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।