ফিরহাদ ইস্তফা দিলেও ভাঙা হবে না পুর বোর্ড! কেন? জবাবদিহির জন্য নোটিশ জারি রাজ্যের

Updated on:

Updated on:

Government of West Bengal Kolkata Municipal Corporation asked why KMC will not dissolved
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গত শুক্রবার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু এরপরেও ভাঙা হবে না কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) বোর্ড! কেন? কারণ সেটা না হলে নিত্যদিনের কাজ কর্মে বাঘ্যাত ঘটবে। এবার এই প্রশ্নের উত্তর চেয়ে নোটিশ জারি করেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। পুরসভার কমিশনারের পাশাপাশি পুরসচিব ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছেও নোটিশের কপি পাঠানো হয়েছে। যার জবাব আগামী ৩ দিনের মধ্যে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফিরহাদ হাকিম ইস্তফার পরেও কেন ভাঙবে না কলকাতা পুরবোর্ড?

আসলে সবেমাত্র এক মাস হয়েছে রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যেই যে পরিবর্তন হয়েছে তা রীতিমত চমকে দেওয়ার মত। বিগত ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকলেও বিধানসভা ভোটে ভাঙ্গন ধরেছে তৃণমূল কংগ্রেসে। এছাড়াও বেশ কিকুলদীন যাবৎ ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের জল্পনা ছিল। এবার সত্যিই মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ। তারপরেই প্রশ্ন উঠে আসছে যে পুরসভার বোর্ড কি তাহলে ভেঙে দাঁড়াবে?

কে হবে Kolkata Municipal Corporation এর নতুন মেয়র?

এই প্রসঙ্গে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র, বিকাশ ভট্টাচার্য জানান, রাজ্য সরকারের কাছে পুরসভার বোর্ড ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া আছে। অন্যদিকে প্রাক্তন চেয়ারম্যান সচ্চিদানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রশাসককের দ্বারা পুরসভার কাজ চালানো যেতে পারে। যেমনটা জানা যাচ্ছে, বর্তমানে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব একপ্রকার চলে গিয়েছে পুর কমিশনার স্মিতা পান্ডের কাছে।

আরও পড়ুনঃ মেসি মূর্তি অতীত, শীঘ্রই বসবে বাঙালির প্রিয় স্ট্যাটু, বড় খবর শোনালেন নয়া ক্রীড়া মন্ত্রী

কি বলছে আইন?

১৯৮০ সালের কলকাতা পুরসভা আইন অনুযায়ী, পুরসভার দায়িত্ব হল, ১৯৮০ এর ১১৭ (১) ধারায় রাজ্য সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে পুরসভার উক্ত নোটিশের বদলে  নিজের বক্তব্য জানানোর জন্য মাত্র ৩ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। কারণ ১১৭ (২) অনুযায়ী যদি নোটিশ জারি করার তিন দিনের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে। লিখিত জবাব পাওয়ার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার মালা রায়ের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা করেন। কারণ হিসাবে সেখানে ফিরহাদ হাকিম লিখেছেন, দাপটের সাথে কাজ করেছি। যারা পুরসভায় আসতেন তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতাম। কিন্তু এখন সেটা সম্ভব হচ্ছে না। চারের সম্মানহানি তো করতে পারি না। চেয়ার ধরে বসে আছি, না আছে ঢাল না আছে তরোয়াল, সেই কারণেই আরও ইস্তফা দেওয়া হল।