অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩০০০! নতুন করে কীভবে আবেদন করবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে? দেখে নিন

Published on:

Published on:

Annapurna Bhandar(3)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের মহিলারা এখন পয়লা জুনের অপেক্ষায়। কারণ পয়লা জুন থেকে রাজ্যে কার্যকর হতে চলেছে বিজেপি সরকারের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar)। নবান্নে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। সম্প্রতি এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছে নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দফতর।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের খুঁটিনাটি | Annapurna Bhandar

অন্নপূর্ণা যোজনা’ প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের প্রতি মাসে ৩০০০ করে আর্থিক সাহায্য সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে DBT (Direct Benefit Transfer) পাঠানো হবে। আগামী ১ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বা অন্নপূর্ণা যোজনা। কারা কারা পাবেন ভাতা? কী কী নথি দরকার? জেনে নিন।

রাজ্য সরকার তরফে জানানো হয়েছে, ১ জুন থেকে চালু হবে ‘অন্নপূর্ণ যোজনা’ পোর্টাল। সেখানে লগ ইন করে প্রকল্পটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। তবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার এবং কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীরা।

‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র থেকে বাদ রাখা হয়েছে রাজ্য সরকার অনুমোদিত শিক্ষক, অশিক্ষক, পুর ও পঞ্চায়েত কর্মীদের। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের স্থায়ী চাকরিতে রয়েছেন কিংবা নিয়মিত বেতন বা পেনশন পান এমন মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। আয়করদাতা হলে এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না।

পাশাপাশি মৃত ব্যক্তি বা এলাকা বদল করেছেন, ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে বা যাঁরা অনুপস্থিত ভোটার হিসেবে চিহ্নিত তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, তাঁদের সকলেরই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা। সরাসরি আধার সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হবে।

Annapurna Bhandar(2)

আরও পড়ুন: সময় চাই! নোটিশের চাপের ‘সুর বদল’ অভিষেকের,কলকাতা পুরসভাকে চিঠি তৃণমূল সাংসদের

এই প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, প্রত্যেক মহিলা ও শিশুর উত্তরণের জন্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়া হবে। মাসে ৩০০০ টাকা। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হল।’ রাজ্য সরকার তরফে বলা হয়েছে, বাংলার মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং সামাজিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতেই এই প্রকল্প।