বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রতিশ্রুতি ছিল বিজেপি সরকার গড়লে আসবে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Bhandar)। কথা মতো অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা ভাতা দিতে ফর্ম ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে রাজ্য। শুরু করে গিয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া। তবে তাতেও চিন্তার শেষ নেই সাধারণ মানুষের। ১১ পাতার ওই ফর্মে আবেদনকারীর গুচ্ছ গুচ্ছ তথ্যের পাশাপাশি পরিবারের সকল সদস্যেরও তথ্য চাওয়া হয়েছে। এই নিয়েই চিন্তায় সাধারণ মানুষজন।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর (Annapurna Bhandar)
মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, অফলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যমেই ফর্ম ফিলআপ করা যাবে অন্নপূর্ণা যোজনার। তবে ১১ পাতার ফর্ম কীভাবে ফিলআপ হবে তা নিয়েই চিন্তায় সাধারণ মানুষ। আবার বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছেন, টাকা না দেওয়ার জন্যই এসব করছে সরকার। এই সংক্রান্ত যাবতীয় বিতর্কের মাঝে এবার মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
শনিবার বিধাননগরের হাসপাতালে সার্ভিক্যাল ক্যানসারের টিকাকরণ কর্মসূচি থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ফর্ম সংক্রান্ত কোনও গুজবে কান দেওয়ার দরকার নেই। প্রকল্পের টাকা সকলেই পাবেন। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘‘আগামী বুধবার আমরা অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম পর্যায়ের টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্কে পাঠাব। প্রত্যেকের বাড়িতে ফর্ম পূরণের জন্য লোক যাবে। আপনাদের ফর্ম তাঁরাই পূরণ করিয়ে দেবেন।”
পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি, “কোনও গুজবে কান দেবেন না।’’ উল্লেখ্য, রাজ্য সরকার তরফে জানানো হয়েছে, ১ জুন থেকে চালু হবে ‘অন্নপূর্ণ যোজনা’। প্রকল্পে আবেদনের জন্য আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। তবে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার এবং কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীরা এর আওতায় আসবেন না।

আরও পড়ুন: যাত্রীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান! রানাঘাট জংশন দিয়ে বন্দে ভারত চালুর ইঙ্গিত
‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র থেকে বাদ রাখা হয়েছে রাজ্য সরকার অনুমোদিত শিক্ষক, অশিক্ষক, পুর ও পঞ্চায়েত কর্মীদের। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের স্থায়ী চাকরিতে রয়েছেন কিংবা নিয়মিত বেতন বা পেনশন পান এমন মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। আয়করদাতা হলে এই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না। পাশাপাশি মৃত ব্যক্তি বা এলাকা বদল করেছেন, ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে বা যাঁরা অনুপস্থিত ভোটার হিসেবে চিহ্নিত তারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে।













