বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, দেশজুড়ে চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ভারত (India) এবার চিনি রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, দেশ থেকে চিনি রফতানি আপাতত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। জানিয়ে রাখি যে, ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী দেশ এবং দেশে চিনির দাম বৃদ্ধি রোধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত, চলতি বছরের বর্ষা এল নিনোর প্রভাবে প্রভাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই, সর্তকতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
চিনি রফতানি বন্ধ করল ভারত (India):
রয়টার্সের এক রিপোর্ট অনুসারে, সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে সাদা ও অপরিশোধিত চিনির বিশ্বব্যাপী মূল্য সমর্থন পেতে পারে। এদিকে, এই সিদ্ধান্ত ব্রাজিল ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলি থেকে এশিয়া ও আফ্রিকার ক্রেতাদের কাছে রফতানিও বাড়াবে। ব্রাজিলের পর ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি রফতানিকারী দেশ। জানিয়ে রাখি যে, সরকার চিনি মিলগুলিকে ১.৫৯ মিলিয়ন টন চিনি রফতানির অনুমতি দিয়েছিল। অনুমান করা হয়েছিল যে উৎপাদন অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে ছাড়িয়ে যাবে। তবে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো উৎপাদন ব্যবহারের চেয়ে কম হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে কী জানানো হয়েছে: ডিলাররা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীরা প্রায় ৮ লক্ষ টন চিনির রফতানির জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন এবং এর মধ্যে ৬ লক্ষ টনেরও বেশি ইতিমধ্যেই রফতানি করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, অপরিশোধিত ও সাদা চিনির রফতানি স্থগিত করা হয়েছে। তবে, নির্দিষ্ট কিছু শর্তে রফতানির অনুমতি দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ‘একদিন সবকিছুই শেষ হবে…’, KKR-এর বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করে আবেগপ্রবণ বিরাট, কী জানালেন কোহলি?
মূলত, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বে লোডিং করা হয়ে থাকলে, সেক্ষেত্রে রফতানির অনুমতি মিলবে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, যদি শিপিং বিল দাখিল করা হয় এবং চিনি বোঝাই জাহাজ ভারতের কোনও বন্দরে নোঙর করে সেক্ষেত্রেও চিনি রফতানির অনুমতি দেওয়া হবে। এছাড়াও, চিনি কাস্টম বা কোনও কাস্টোডিয়ানের কাছে হস্তান্তর করা হলেও চালানটি ছাড় করা হবে।
আরও পড়ুন: বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের! ভারতের প্রথম সেমি হাই-স্পিড রেল প্রকল্পের অনুমোদন, খরচ হবে ২০,৬৬৭ কোটি
প্রভাবিত হবেন ব্যবসায়ীরা: এদিকে, মুম্বাইয়ের একটি গ্লোবাল ট্রেড হাউসের ডিলার জানিয়েছেন যে, সরকার ফেব্রুয়ারিতে পর্যাপ্ত রফতানি কোটা প্রদান করেছিল, যা ব্যবসায়ীদের রফতানি চুক্তি স্বাক্ষর করতে উৎসাহিত করেছিল। তবে এখন, রফতানির অর্ডার পূরণ করা ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।













