১৩ বছরের কষ্টের অবসান, না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন হরিশ রানা! শেষবেলায় বড় সিদ্ধান্ত পরিবারের

Published on:

Published on:

Harish Rana bids farewell after 13 years of suffering
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: দীর্ঘ ১৩ বছরের এক অসহনীয় যন্ত্রণার অবশেষে সমাপ্তি ঘটলো। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন হরিশ রানা (Harish Rana)। কিন্তু তার এই ক্ষতিগ্রস্ত শরীরটা পৃথিবীর থেকে নষ্ট হয়ে যাবে তা কোনভাবেই চাইনি তার পরিবার। তাই পরিবার সহানুভূতির এক হৃদয় স্পর্শী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। পরোক্ষ ইচ্ছায় ইউথেনেশিয়ার স্বীকৃত পাওয়া প্রথম ভারতীয় হরিশ রানার পরিবার তাদের ছেলের শরীরের অঙ্গদান করেছেন।

১৩ বছরের যন্ত্রণা শেষে বিদায় হরিশ রানার (Harish Rana)

হরিশ রানার (Harish Rana) মা বাবা ব্যক্তিগত ক্ষতিকে অন্যের আশায় রূপান্তরিত করেছেন। মঙ্গলবার কোমায় থাকার পর তাদের পুত্রসন্তানের মৃত্যু হয়। এরপরই পরিবার রানার কর্নিয়া ও হার্ট ভাল্ক দান করেন। যা অভাবী রোগীদের পরিবারকে নতুনভাবে বাঁচার আশার আলো দেখাবে।

Harish Rana bids farewell after 13 years of suffering

আরও পড়ুন: যাত্রীদের জন্য স্বস্তি, ট্রেনে ওঠার ৩০ মিনিট আগেও বদলাতে পারবেন বোর্ডিং স্টেশন

তাদের ছেলে দুনিয়া ছেড়ে চলে যাওয়ার পরও পরিবারের এই উদ্যোগ সারা দেশের মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। ‌ তবে এটি ভারতে অঙ্গদান নিয়ে আলোচনা কে আবার নতুন করে উস্কে দিয়েছে। যেখানে এমন একটি জীবন রক্ষাকারী চর্চা যা বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এখনো সেই ভাবে ব্যবহৃত হয় না।

কর্নিয়া দানের মাধ্যমে তার পরিবার অন্ধতে আক্রান্তদের দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছেন। অন্যদিকে দান করা হার্ট ভালভ গুরুতর রোগে রোগীদের ফের সুস্থ জীবন যাপন করতে সাহায্য করবে। যদিও অঙ্গদান কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা জানান, ভারতে অঙ্গের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে একটি বড় ব্যবধান রয়েছে।

হাজার হাজার রোগী অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য অপেক্ষারত তালিকায় রয়েছেন। সঠিক সময় অঙ্গনা পাওয়ায় অনেকেই প্রাণ হারান। সেখানে একজন দাতা একাধিক জীবন বাঁচাতে উদ্যোগ নিলে সেখানে ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হন। তবে জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে হরিশের পারিবারিক সিদ্ধান্ত একটি দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা পালন করেছে বলে সকলেই মনে করছেন (Harish Rana)।