বাংলা হান্ট ডেস্ক: এক নৃশংস ঘটনার সাক্ষী রইল হরিয়ানার (Haryana) ফরিদাবাদ। জানা যায় চার বছরের মেয়েকে অংক করাতে বসিয়েছিলেন বাবা। শিশুটি এক থেকে পঞ্চাশ পর্যন্ত লিখতে পারেনি সঠিকভাবে। আর এই কারণেই রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে উঠল বাবা। এলোপাথার মার শুরু করে বাবা। বাবার মারে অবশেষে প্রাণ গেল কন্যা শিশুটির। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যে সৃষ্টি হয়েছে।
১–৫০ না লিখতে পারায় বাবার মারধরে মৃত্যু কন্যা সন্তানের (Haryana)
সূত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার বাসিন্দা কৃষ্ণ জয়সওয়াল (Haryana)। স্ত্রী ও ৪ বছরের শিশুকন্যাকে নিয়ে তিনি ফরিদাবাদে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই কাজ করেন বেসরকারি সংস্থায়। ফলে মেয়েকে দেখাশোনা এবং পড়াতে হতো পালা করে। স্ত্রীর অফিস দিনে মেয়েকে পড়াশোনা করানোর দায়িত্ব থাকতো ওই কন্যা সন্তানের বাবার।

আরও পড়ুন: মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় খবর! পরীক্ষা শুরুর আগে শেষবার সুযোগ দিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ
গত ২১ জানুয়ারি মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন কৃষ্ণ। অঙ্ক করাচ্ছিলেন তিনি। ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে বলেছিলেন মেয়েকে। আর সেটাই কাল হয়ে দাঁড়াল। কিছুটা লিখে আর বাকি এগোতে পারছিল না শিশুটি। সংখ্যা লেখায় ভুল হচ্ছিল।
যা দেখে মেজাজ হারিয়ে ফেলে বাবা। এর ফলে মারধর শুরু করে মেয়েকে। তারপরই প্রাণ হারায় চার বছরের কন্যা সন্তান। এই ঘটনার পর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। তারপর দেহটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, কৃষ্ণর মারধরের ফলে মারা গিয়েছে তাদের সন্তান। এরপরই গ্রেফতার করা হয়েছে কৃষ্ণকে (Haryana)।












