বাংলা হান্ট ডেস্ক: অনেক সময় রেশন কার্ড আলাদা করার প্রয়োজন পড়ে। পারিবারিক কারণেই রেশন কার্ড (Ration Card) আলাদা করতে হয়। আগে এই প্রক্রিয়া ছিল জটিল। ইচ্ছা থাকলেই আলাদা করা যাবে না। যে কেউ আবেদন করতে পারবেন না। কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম করে দিয়েছে খাদ্য দপ্তর (West Bengal Food Department)। এই শর্ত মেনে চলা জরুরী।
অনেক সময় পারিবারিক বিবাহ বিচ্ছেদ, কলহ, বিবাদ, অশান্তির জেরে একই পরিবারের মধ্যে রেশন কার্ড আলাদা করার প্রয়োজন পড়ে। আগে এই প্রক্রিয়া এতটাই জটিল ছিল যে খাদ্য দপ্তরের অফিসে যেতে হতো। বর্তমানে রাজ্য সরকার এই প্রক্রিয়াকে অনলাইন করে দিয়েছে, ফলে এখন যে কেউ বাড়িতে বসে রেশন কার্ডের বিভাজন করতে পারে। কিন্তু কিছু কিছু নিয়ম মেনে চলা খুব জরুরী। না হলে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে না। সে ক্ষেত্রে আবেদন বাতিলের সম্ভাবনা আছে।
রেশন কার্ড (Ration Card) আলাদা করার জন্য মানতে হবে কী কী নিয়ম?
কয়েকটি বিষয়ে এ ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে, যেমন পরিবারে কতজন সদস্য সংখ্যা আছে। যদি পরিবারের সাত জনের কম সদস্য থাকে তাহলে কিন্তু এ ব্যাপারে আবেদন করা যাবে না। মূল পরিবারে অন্ততপক্ষে সাত জন অথবা তার বেশি সক্রিয় সদস্য থাকা এ ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। রেশন কার্ডের ক্যাটাগরির ক্ষেত্রেও অনেক রকম বিধি-নিষেধ রয়েছে। যেমন কার্ড যদি অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনার অন্তর্ভুক্ত হয় তবে এই সুবিধা পাওয়া যাবে না। শুধুমাত্র পি এইচ এইচ, এস পি এইচ এইচ, আর কে এস ওয়াই ১, আর কে এস ওয়াই ২, উপভোক্তারা শুধুমাত্র এই সকল সুবিধা পাবেন।
পরিবারে যদি কোন নতুন সদস্য যুক্ত হন অর্থাৎ ৪ নম্বর ফর্ম দ্বারা কোন সদস্য যুক্ত হন অথবা ১৪ নম্বর ফর্ম এর মাধ্যমে যদি কোন সদস্য যুক্ত হন, তাহলে তাদের যুক্ত হওয়ার দু’বছর না হওয়া পর্যন্ত রেশন কার্ড বিভাজন করা যাবে না। রেশন কার্ড বিভাজনের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম হলো ফর্ম নাম্বার ১৩। খুব সহজেই অনলাইনে কিছু ধাপ অনুসরণ করে এই ফর্ম ফিলাপ করা যাবে।
আরও পড়ুন:কামাখ্যা যাওয়া হলো আরো সহজ, জেনে নিন হাওড়া কামাখ্যা বন্দে ভারতে থাকছে কি কি সুবিধা
আবেদন যদি সফল ভাবে সাবমিট করা হয় তাহলে খুব দ্রুত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। বলা হচ্ছে এক থেকে সাত দিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে আবার ওয়েবসাইটে নতুন ই রেশন কার্ড দেওয়া হবে, সেটা ডাউনলোড করে দেখা যাবে। তবে এই প্রক্রিয়া অনলাইনে হলেও রেশন দোকান বা ডিলার এর কাছে যে মেশিন রয়েছে ই পস, তাতে বেশ কিছুটা সময় লাগতে পারে আপডেট হতে, তাই যেই মাসে আবেদন করা হচ্ছে তারপরের মাস থেকে রেশন পাওয়া যাবে। কার্ড হাতে পাওয়ার পর রেশন ডিলারের তথ্য যদি না থাকে সে ক্ষেত্রে পরবর্তী মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
আরও পড়ুন:‘ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়’, ছাব্বিশের নির্বাচনের আগেই হঠাৎ এ কী কথা মুখ্যমন্ত্রীর!

যে ধাপ গুলির মাধ্যমে এই রেশন কার্ড বিভাজন করা যাবে সেগুলি হল প্রথমে লগইন প্রক্রিয়া, তারপর ফর্ম নির্বাচন ও সদস্য বাছাই, পুরনো পরিবারের সম্মত ও নথি আপলোড। এই চার ধাপের মাধ্যমে খুব সহজেই সম্পন্ন হবে পুরো প্রক্রিয়াটি।











