‘দেশ আমাকে উদ্ধার করতেই হবে’, ইভিএম বিকল ভোট না দিয়েই ফিরলেন চিরঞ্জিত

Published on:

Published on:

'I have to save the country', Chiranjeet Chakraborty returns without voting
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের (West Bengal Assembly Election) দিনে একদিকে যেমন ভোটারদের লম্বা লাইন চোখে পড়েছে, তেমনই কিছু জায়গায় প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে বিঘ্নও ঘটেছে ভোটপ্রক্রিয়ায়। এমনই এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন অভিনেতা ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিদায়ী বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী (Chiranjeet Chakraborty)।

কী ঘটল অভানেতা চিরঞ্জিতের (Chiranjeet Chakraborty) সাথে ?

জানা গেছে, সকালে কলকাতার চারুচন্দ্র কলেজের বুথে ভোট দিতে পৌঁছান তিনি। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ইভিএমে ত্রুটি থাকায় ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে বন্ধ। ফলে ভোট না দিয়েই ফিরে যেতে বাধ্য হন তিনি। বুথ থেকে বেরিয়ে ইভিএম ত্রুটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যান্ত্রিক গোলযোগ হতেই পারে, আবার কিছু ক্ষণ পরে এসে ভোট দিয়ে যাব।”

এদিন ভোটদানের গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভোট দেওয়া তো আমার দায়িত্ব। আমার কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। দেশ তো আমাকে উদ্ধার করতে হবে। আর আমি তো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র। কিছুটা ধারণা আছে। যান্ত্রিক গোলযোগ হলে একটু তো সময় লাগবেই।”

উল্লেখ্য, বারাসত বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে টানা তিনবার জয়ী হয়েছেন চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী। ২০১১ সালে প্রথমবার এই কেন্দ্র থেকেই বিধায়ক হন তিনি। প্রতি নির্বাচনে নিজের কেন্দ্রে ভোট দেওয়া তাঁর রুটিনের অংশ ছিল। তবে এবারে চিত্রটা কিছুটা ভিন্ন। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে নিজেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা জানান তিনি।

'I have to save the country', Chiranjeet Chakraborty returns without voting

আরও পড়ুন : ‘মমতা চাপে আছেন’, ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধানও ঘোষণা করে দিলেন শুভেন্দু

অভিনেতা জানান, “আমি নিজেই এ বার দিদির কাছে অব্যাহতি চেয়েছি। আমারও তো বয়স হয়েছে। এখন আর আগের মতো কাজ করতে পারি না। দল আমার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে।” এই কারণে এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কোনও দায়িত্ব নেই তাঁর কাঁধে। সাধারণ ভোটার হিসেবেই নিজের কর্তব্য পালন করতে চেয়েছিলেন তিনি। যদিও প্রথমবারে ইভিএমের সমস্যার কারণে ভোট দেওয়া সম্ভব হয়নি, তবে পরে ফের ভোট দিতে আসবেন তিনি।