বাংলাহান্ট ডেস্ক: ইউনূস পরবর্তী বাংলাদেশে পরিবর্তনের হাওয়া। ভারত-বাংলাদেশ (India-Bangladesh) সম্পর্ক নতুন সমীকরণ দেখা যাচ্ছে। এই প্রশ্নই এখন বিভিন্ন মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশেষ করে গঙ্গা জলবন্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শেষ হতে চলায় এই ইস্যুতে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই চলতি এপ্রিল মাসে খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারত-বাংলাদেশ (India-Bangladesh) সম্পর্কে নতুন সমীকরণ
জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী। এই বৈঠকে গঙ্গার জলবণ্টন ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই প্রথম দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হতে চলেছে, যা সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
আরও পড়ুন: দিঘা ট্রিপে বড় রিলিফ! ২টি সামার স্পেশাল ট্রেন চালু, কবে থেকে বুকিং শুরু জানুন
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়ে পড়েছিল। তবে বর্তমানে তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নতির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যমে সেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
অন্যদিকে, ভিসা সংক্রান্ত বিষয়টিও এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে বাংলাদেশিদের জন্য টুরিস্ট ভিসা পরিষেবা স্থগিত রেখেছে ভারত। এবার সেই পরিষেবা পুনরায় চালুর জন্য ঢাকার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এই ইস্যু সমাধান হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন:“কলকাতা উড়িয়ে দেব” পহেলগাঁও ঘটনার বছর ঘোরার আগেই বিস্ফোরক হুমকি পাক মন্ত্রী খোয়াজা আসিফের
সব মিলিয়ে, কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রেখে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার লক্ষ্যেই এই বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যতে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করতে আগ্রহী এবং সেই সম্ভাব্য সফর নিয়েও আলোচনা হতে পারে। ফলে এই বৈঠক শুধু জলবণ্টন নয়, সামগ্রিকভাবে ভারত-বাংলাদেশ (India-Bangladesh) সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে।












