বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, রেসপন্সিবল নেশনস ইনডেক্স (RNI) নামক একটি সূচকে ১৫৪ টি দেশের মধ্যে ভারত (India) ১৬ তম স্থানে রয়েছে। এই সূচকটি থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে, দেশগুলি তাদের নাগরিক, পরিবেশ এবং বিশ্বের প্রতি কতটা দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আচরণ করে। এই সূচক দিল্লিতে স্থিত থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল ফাউন্ডেশন (ডব্লিউআইএফ) কর্তৃক চালু করা হয়। এই সূচকে সিঙ্গাপুর শীর্ষে রয়েছে।
এই সূচকে আমেরিকা চিনকে টেক্কা দিল ভারত (India):
জানিয়ে রাখি যে, এই সূচকটি ২০২৩ সাল পর্যন্ত উপলব্ধ বিশ্বব্যাঙ্ক, জাতিসংঘের এজেন্সি এবং ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের মতো আন্তর্জাতিক উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে। এই সূচক ৩ টি মূল বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রথমত, ‘অভ্যন্তরীণ দায়িত্ব’, যা একটি দেশের নাগরিকদের মর্যাদা, কল্যাণ এবং ক্ষমতায়নের প্রতি কর্তব্য সূচিত করে। দ্বিতীয়ত, ‘পরিবেশগত দায়িত্ব’, যা পরিবেশগত সংরক্ষণ এবং স্থিতিস্থাপক উন্নয়নের প্রতি একটি দেশের প্রতিশ্রুতি পরীক্ষা করে। তৃতীয়, ‘বহিরাগত দায়িত্ব’, যা আন্তর্জাতিকভাবে একটি দেশের আচরণ এবং অবদানের ওপর দৃষ্টিনিক্ষেপ করে।

৭ টি ভিন্ন মানদণ্ড: এই ৩ টি মূল বিষয় আবার ৭ টি ভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে পরিমাপ করা হয়।যেগুলির মধ্যে জীবনযাত্রার মান থেকে শুরু করে, শাসনব্যবস্থা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতা, পরিবেশ সুরক্ষা, শান্তির প্রতি অঙ্গীকার এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক সামিল রয়েছে। এদিকে, চূড়ান্ত স্কোর এবং র্যাঙ্কিং নির্ধারণের জন্য মোট ৫৮ টি নির্বাচিত সূচক ব্যবহার করা হয়। ইতিমধ্যেই ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল ফাউন্ডেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, ‘এই সূচকটি দেশগুলিকে কেবল তাদের অর্থনৈতিক শক্তি বা ভূ-রাজনৈতিক প্রভাবের ভিত্তিতে নয়, বরং তাদের নাগরিক, পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তাদের দায়িত্বের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করার জন্য একটি নতুন বিশ্বব্যাপী কাঠামো উপস্থাপিত করে।’
আরও পড়ুন: সেরে রাখুন প্রয়োজনীয় কাজ! চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে টানা ৪ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক, জানুন এখনই
আমেরিকা এবং চিনের অবস্থান: এই সূচকে আমেরিকা রয়েছে ৬৬ তম স্থানে। পাশাপাশি, ৬৮ তম স্থানে রয়েছে চিন। এই ফলাফল দেখায় যে উচ্চ জিডিপি বা অর্থনৈতিক শক্তি থাকা কোনও দেশ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবে তার নিশ্চয়তা দেয় না। WIF তার রিপোর্টে বলেছে ‘প্রকৃতপক্ষে, অনেক উন্নয়নশীল দেশ পরিবেশগত নীতিশাস্ত্র, লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের মতো ক্ষেত্রে ধনী দেশগুলিকে ছাড়িয়ে যায়।’ এই বিশ্লেষণটি দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি, ন্যায়সঙ্গত উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনের মধ্যে একটি শক্তিশালী যোগসূত্রের পরামর্শ দেয়।
আরও পড়ুন: ইচ্ছে থাকলেও নেই উপায়! অবসর নিতে বাধ্য হলেন সাইনা নেহওয়াল, কেন এমন সিদ্ধান্ত?
প্রথম ১০-এ কারা রয়েছে:
১. সিঙ্গাপুর
২. সুইজারল্যান্ড
৩. ডেনমার্ক
৪. সাইপ্রাস
৫. সুইডেন
৬. চোকিয়া
৭. বেলজিয়াম
৮. অস্ট্রিয়া
৯. আয়ারল্যান্ড
১০. জর্জিয়া
১৬. ভারত












