ক্রমশ সম্পর্কে উন্নতি! গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মুখোমুখি ভারত-চিন

Published on:

Published on:

India-China attended bilateral meeting.
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: গালওয়ান সংঘর্ষের স্মৃতি এখনও তাজা থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বাস্তববাদী কূটনীতির পথেই হাঁটছে ভারত (India-China)। বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার মধ্যে চিনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখে এগোতে চায় দিল্লি। এই আবহেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে মুখোমুখি বৈঠকে বসেছে ভারত ও চিন, যা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাচ্ছে।

এসসিও বৈঠকে মুখোমুখি ভারত-চিন (India-China):

গত ১৬-১৭ এপ্রিল সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার অধীনে আয়োজিত প্রথম দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নেয় দুই দেশ। এই বৈঠককে কূটনৈতিক মহলে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, সীমান্তে উত্তেজনার ইতিহাস থাকা সত্ত্বেও দুই দেশ এখন সহযোগিতা ও আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে হাঁটতে আগ্রহী।

আরও পড়ুন: নেচার লাভারদের জন্য পারফেক্ট গন্তব্য, এবারের সামার ভ্যাকেশনে উত্তরবঙ্গের এই গ্রামে ঘুরে আসুন

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে পূর্ব লাদাখে দীর্ঘদিনের সামরিক অচলাবস্থা কাটাতে একসঙ্গে উদ্যোগ নিয়েছিল দুই দেশ। যদিও তার পরেও অরুণাচল প্রদেশের একাধিক স্থানের নাম পরিবর্তন বা বিতর্কিত প্রশাসনিক পদক্ষেপের মতো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব বজায় রয়েছে। এসব ইস্যুতে ভারত বারবার আপত্তি জানিয়েছে। তবুও সামগ্রিকভাবে সীমান্তে নতুন করে বড় অশান্তি হয়নি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনও বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, পুনরায় বিমান পরিষেবা চালু হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এসসিও বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা মতবিনিময় করেছেন। নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও যোগাযোগ—এই তিনটি ক্ষেত্রেই সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিনিধিরা যৌথভাবে বিদেশ মন্ত্রকের সচিব সিবি জর্জের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করেন।

India-China attended bilateral meeting.

আরও পড়ুন: ফের LPG ডেলিভারিতে বদল! বুকিংয়ের কত দিনের মধ্যে মিলবে গ্যাস? জানুন

২০২৪ সালের পর থেকে ব্রিকস এবং এসসিওর মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারত ও চিন (India-China) একসঙ্গে কাজ করে চলেছে। গত বছর এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে চিন সফর করেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে ভারতের বর্তমান ব্রিকস সভাপতিত্বে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে বেজিং। আগামী দিনে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইর ভারত সফর এবং সম্ভাব্যভাবে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত আগমন, দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।