ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর হচ্ছে চিনের! ৬ বছর পর ফের শুরু হচ্ছে বেজিং-দিল্লি বিমান পরিষেবা

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: দীর্ঘ  প্রতীক্ষার অবসান। ধীরে ধীরে আরও স্বাভাবিক হচ্ছে ভারত ও চিনের সম্পর্ক (India-China)। ছয় বছর পর আবার শুরু হতে চলেছে বেজিং-দিল্লি সরাসরি বিমান পরিষেবা। শনিবারই চিনের তরফ থেকে ঘোষণা করে এ কথা জানানো হয়। ভারতে চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র ইউ জিং জানান যে, Air China শীঘ্রই বেজিং থেকে দিল্লির মধ্যে সরাসরি উড়ান পরিষেবা চালু করবে।

ফের শুরু হচ্ছে ভারত-চিন (India-China) বিমান পরিষেবা

চিনা দূতাবাসের তরফে এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়েছে, এই বিমান পরিষেবা শুধু যাত্রী পরিবহণের জন্য নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। সাংহাই কো অপারেশন অর্গানাইজেশন এবং BRICS-এর মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সরাসরি বিমান চালু হলে দুই দেশের নাগরিকদের যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং সময় ও খরচ দুটোই কমবে।

আরও পড়ুন: হরমুজ স্তব্ধ হলেও সরবরাহে নেই খামতি! সৌদি থেকে কীভাবে তেল আসছে ভারতে?

ভারত-চিন বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়েছিল ২০২০ সালে COVID-19 অতিমারীর কারণে। সেই সময় বন্ধ হয়ে যায় ভিসা পরিষেবা ও কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রাও। পরবর্তীতে সংঘাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও তলানিতে পৌঁছায়। সীমান্ত উত্তেজনার জেরে একাধিকবার সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে বৈঠক হলেও দীর্ঘদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

তবে গত বছর থেকে দুই দেশের মধ্যে বরফ গলতে শুরু করেছে। ধাপে ধাপে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ভারত সরকার চিনা নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু করার কথা ঘোষণা করে এবং কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রাও পুনরায় শুরু হয়। একইসঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকের মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা জোরদার হয়, যার ফলেই এবার সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর পথে অগ্রগতি হয়েছে।

India-China flight services are resuming after 6years

আরও পড়ুন: বরাদ্দ বাড়ল বাণিজ্যিক LPG-র! অগ্রাধিকারে কারা? রাজ্যগুলিকে চিঠি দিল কেন্দ্র

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি Air India ইতিমধ্যেই সাংহাই-দিল্লি (India-China) রুটে সরাসরি উড়ান শুরু করেছে এবং ইন্ডিগোও একই পথে পরিষেবা চালুর ঘোষণা করেছে। এবার চিনা বিমান সংস্থার যোগদানে দুই দেশের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ আরও মজবুত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আন্তর্জাতিক অস্থিরতার আবহে এই পদক্ষেপ ভারত-চিন সম্পর্কের নতুন দিশা দেখাতে পারে বলেই কূটনৈতিক মহলের অভিমত।