চিন-আমেরিকা-EU থেকে বিপুল পরিমাণে আসছে এই রাসায়নিক! কঠোর পদক্ষেপ ভারতের

Published on:

Published on:

India imposes anti-dumping duty on this chemical.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারত। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, চিন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং আমেরিকা থেকে রাবার ও টায়ার শিল্পে ব্যবহৃত একটি রাসায়নিকের আমদানির ক্ষেত্রে ৫ বছরের জন্য ভারত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক (Anti-Dumping Duty) আরোপ করেছে। ওই রাসায়নিকের নাম হল ‘সালফোনামাইডস অ্যাক্সিলারেটরস’। অর্থ মন্ত্রক কর্তৃক জারি করা এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনস্থ শাখা ‘ডাইরেক্টরেট জেনারেল অফ ট্রেড রেমেডিস’ তথা DGTR-এর সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

৫ বছরের জন্য অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক (Anti-Dumping Duty) আরোপ করেছে ভারত:

কত শুল্ক দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে: জানিয়ে রাখি যে, এই শুল্কের পরিমাণ প্রতি টনে ৭৫ ডলার থেকে ১,৭৪৮ ডলার পর্যন্ত। এই সংক্রান্ত গত ১৯ জুনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞপ্তির অধীনে আরোপিত অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক ৫ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে (যদি না এর আগে তা প্রত্যাহার, পরিবর্তন বা সংশোধন করা হয়)।

India imposes anti-dumping duty on this chemical.

কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হল: উল্লেখ্য যে, DGTR এই ৩ টি অঞ্চল থেকে ‘সালফোনামাইড অ্যাক্সিলারেটর’ আমদানির ওপর শুল্ক আরোপের সুপারিশ করেছে। এর কারণ হল, এই পণ্যগুলি স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে কম দামে ভারতীয় বাজারে রফতানি করা হয়েছে। যার ফলে ডাম্পিং হয়েছে এবং এখানকার দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে, চিন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানিকৃত ‘অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল’-এর ওপরও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। রেভিনিউ ডিপার্টমেন্ট একটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে এই শুল্ক চলতি বছরের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

আরও পড়ুন: আরও সহজে মিলবে ঋণ! RBI জারি করল নতুন নিয়ম, জানুন এখনই

চিন থেকে আসা আরেক রাসায়নিকের ওপরেও অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করা হয়েছে: অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগটি জানিয়েছে যে, ভারত চিন থেকে আসা পলিইথিলিন টেরেফথালেট রেজিনের ওপর ৫ বছরের জন্য প্রতি টনে ২০০.৬৬ ডলারের অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে। এর ইন্ট্রেন্সিক ভিস্কোসিটি প্রতি গ্রামে ০.৭২ ডেসিলিটার বা তার বেশি।

আরও পড়ুন: ‘রোনাল্ডোকে বল পাস করতে আমরা বাধ্য নই’, বিশ্বকাপের মাঝেই সতীর্থের স্পষ্ট প্রতিক্রিয়ায় শুরু হইচই

জানিয়ে রাখি যে, প্রতিটি দেশ সস্তা আমদানি বৃদ্ধির কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা তা খুঁজে বের করার জন্যই অ্যান্টি-ডাম্পিং তদন্ত পরিচালনা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারা জেনেভাতে স্থিত ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন তথা (WTO)-র মাল্টিল্যাটারাল সিস্টেমের অধীনে এই শুল্কগুলি আরোপ করে। এই শুল্কের উদ্দেশ্য হলো ন্যায্য বাণিজ্য প্রথা নিশ্চিত করা এবং দেশীয় উৎপাদকদের জন্য বিদেশি উৎপাদক ও রফতানিকারীদের তুলনায় একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষেত্র তৈরি করা।