বাংলা হান্ট ডেস্ক: গণপরিবহনের অন্যতম মাধ্যম হল ট্রেন (Indian Railways)। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার জন্য মানুষ ট্রেনের ওপরই ভরসা করে থাকেন। আর চলতে বছর প্রথম থেকেই একাধিক ট্রেনের উদ্বোধন করেছে রেলমন্ত্রক। এবার উত্তর-পূর্ব সীমান্তের ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে কুড়ি জোড়া নতুন ট্রেন পরিষেবার সূচনার মাধ্যমে যাত্রী সংযোগ ও যাত্রা ব্যবস্থা আরও সুবিধাজনক করে তোলা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রেল।
রেলের মেগা প্ল্যান, ২০ জোড়া নতুন ট্রেন—নানা রুটে বাড়বে পরিষেবা (Indian Railways)
জানা যায় এই সম্প্রসারণে প্রেমিয়াম, সেমি প্রিমিয়াম ও প্রচলিত ট্রেন পরিষেবার ভারসাম্য সংমিশ্রণ রয়েছে (Indian Railways)। যার মূল উদ্দেশ্য হল উত্তর পূর্বাঞ্চলের মধ্যে এবং দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে রেল যোগাযোগকে শক্তিশালী করা। পাশাপাশি এই পদক্ষেপে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে নেটওয়ার্ক জুড়ে অ্যাক্সেস যোগ্যতা ও যাত্রী সেবার মান মান উন্নত ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতা কে স্বাচ্ছন্দবোধ করায় এখন একমাত্র লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: ভোটের ঘনঘটা! পড়াশোনায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলশিক্ষা, বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন
এই সম্প্রসারণ এর মাধ্যমে বেশ কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবার প্রত্যাবর্তন আসতে চলেছে। যেখানে বিশেষভাবে কামাখ্যা ও হাওড়ার মধ্যে পরিচালিত বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস যা উন্নত সুযোগ-সুবিধা সম্পূর্ণ একটা আধুনিক ও দ্রুত বেগ গতি রাত্রিকালীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এছাড়াও সাশ্রয়ী অথচ আরামদায়ক দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণের কথা মাথায় রেখে সাতজোড়া অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করা হয়েছে।
এই ট্রেন গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংযোজন হল- রাজধানী এক্সপ্রেস, যা সাইরাং-এর সাথে দিল্লির সংযোগ স্থাপন করে; এর ফলে মিজোরাম ও ন্যাশনাল ক্যাপিটালের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে উন্নত করেছে। দীর্ঘ দূরত্বের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করতে, জলপাইগুড়ি রোড ও শিয়ালদহের মধ্যে ‘হমসফর এক্সপ্রেস’ এবং ‘সাইরাং-কলকাতা-সাইরাং এক্সপ্রেস’-এর মতো পরিষেবাগুলি চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ে, সাইরাং-গুয়াহাটি-সাইরাং এক্সপ্রেস, শিলচর-সাইরাং-শিলচর এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-গুয়াহাটি-নিউ জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেস, আগরতলা-নারেঙ্গি-আগরতলা এক্সপ্রেস ইত্যাদির মতো কয়েকটি ট্রেন আন্তঃ-আঞ্চলিক সংযোগ ব্যবস্থা মজবুত করছে।
এছাড়াও সামগ্রিকভাবে, নতুনভাবে চালু করা পরিষেবাগুলির মধ্যে এই অঞ্চলের প্রধান রুটগুলোতে দৈনিক, সাপ্তাহিক এবং দ্বি-সাপ্তাহিক ভিত্তিতে চলাচল করা এক্সপ্রেস ও যাত্রীবাহী ট্রেনের একটি সংমিশ্রণ রয়েছে। এবং আশা করা হচ্ছে যে, আঞ্চলিক সংহতি এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতিশীলতার ক্ষেত্রে এগুলো একটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে (Indian Railways)।












