ভোটের ঘনঘটা! পড়াশোনায় ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলশিক্ষা, বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন

Published on:

Published on:

Assembly Election are affecting education questions are being raised about taking exams
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: সামনেই আসছে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। আর এই নির্বাচনের আগে এসআইআর নিয়ে যথারীতি ব্যস্ত ছিলেন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা। যার ফলে পড়াশোনায় যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে পড়ুয়াদের। এবার এই কারণে ঠিকমত অফলাইনে ক্লাস করাতে পারেননি শিক্ষকরা। যার কারণবশত অনলাইনে পড়ুয়াদের ক্লাস করাতে হয়েছে। তার ওপর এবার সামনেই আছে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্কুল ভবনের তিন ও চারতলার ঘর গুলি দুই সপ্তাহ আগেই বরাদ্দ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য। এর ফলে যথারীতি অসুবিধা সম্মুখীন হতে হচ্ছে স্কুলের পড়ুয়াদের।

শিক্ষায় প্রভাব ফেলছে নির্বাচন, পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (Assembly Election)

জানা যায়, কলকাতার বিটি রোড হাই স্কুলের শিক্ষকেরা নিয়মিত স্কুলে আছেন। কিন্তু সেখান থেকে ক্লাস করাতে হচ্ছে অনলাইনে। কারণ নির্বাচনের জন্য স্কুল ভবনের তিন ও চারতলার ঘর গুলো দু সপ্তাহ আগেই বরাদ্দ করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য। যেখানে নবম ও দশম শ্রেণীর ক্লাস হওয়ার কথা। কিন্তু তাদের ক্লাস হচ্ছে নিচের তলার কক্ষগুলিতে। যার কারণবশত নিচু ক্লাসের পড়ুয়াদের পড়াশোনা আপাতত অনলাইনের মাধ্যমেই করানো হচ্ছে (Assembly Election)।

Assembly Election are affecting education questions are being raised about taking exams

আরও পড়ুন: আর রেয়াত নয়! ট্রেনে পাথর ছুড়লেই কঠোর শাস্তি, কড়া পদক্ষেপ নিল রেল

এই বিষয়ে দমদমের নারায়নদাস বাঙুর মেমোরিয়াল মাল্টিপারপাস স্কুলেও একইভাবে পড়াশোনা শিকেয় উঠেছে। কারণ সামনেই আছে নির্বাচন। তাছাড়া বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ওই স্কুলের প্রাক্তনী। এই বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় বড়ুয়া জানিয়েছেন, প্রাক প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়ুয়া রয়েছে এই স্কুলে। এখানে প্রায় পড়ুয়াদের সংখ্যা ১৪৫০ জন। অপরদিকে শিক্ষক রয়েছেন ৩৬ জন। যাদের মধ্যে তেরোজন শিক্ষককে নির্বাচনের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে।

এছাড়াও কোন কোন স্কুলেই শিক্ষকেরা এখনো বিএলওর দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। যার ফলে যথারীতি পঠন-পাঠনের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটছে। একই সঙ্গে রয়েছে পাঠ্য বইয়ের আকাল। শিক্ষাবর্ষের তিনটি মাস শেষ হতে চলল বহু পড়ুয়ারাই এখনো পর্যন্ত পাঠ্যবই হাতে পাননি।

অপরদিকে এপ্রিল থেকে শুরু হতে চলেছে সেমিটিভ পরীক্ষা। যার ফলে শিক্ষকদের একাংশ প্রশ্ন তুলছেন, এই পরিস্থিতিতে আদৌ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে কিনা। অথবা পরীক্ষা হলেও কি যথাযথ মূল্যায়ন করা সম্ভব। তা নিয়ে নানাবিধ প্রশ্ন উঠছে (Assembly Election)।