বাংলাহান্ট ডেস্ক: গোটা দেশ এখন ‘ধুরন্ধর’ জ্বরে কাবু। আদিত্য ধর পরিচালিত সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবির দ্বিতীয় ভাগ প্রথম ভাগের সব রেকর্ড ভেঙে বক্স অফিসে রীতিমতো ঝড় তুলেছে। এই ছবি দেখে সকলের একটু হলেও কৌতূহল হয় সত্যিকারের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (Top Intelligence Agencies) গুলোকে নিয়ে। গুপ্তচরবৃত্তি, গোপন অভিযান এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে ভরপুর এই স্পাই থ্রিলার ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। টানটান চিত্রনাট্য ও বাস্তবঘন উপস্থাপনার কারণে সিনেমাটি শুধু বিনোদনই দিচ্ছে না, বরং বাস্তবের গোয়েন্দা দুনিয়া নিয়েও নতুন করে আগ্রহ বাড়িয়ে তুলছে। তাই জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের সেরা ৫ ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি কোন কোন দেশের রয়েছে।
বিশ্বের সেরা ৫ গোয়েন্দা সংস্থার (Top Intelligence Agencies) তালিকায় ভারত কত নম্বরে?
বাস্তবেও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা নীরবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে শীর্ষস্থানেই রয়েছে আমেরিকার সেন্ট্রাল ইন্টালিজেন্স এজেন্সি বা সিআইএ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়ে ওঠা এই সংস্থা বিদেশি তথ্য সংগ্রহ, সন্ত্রাস দমন এবং গোপন অপারেশনের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। আন্তর্জাতিক রাজনীতির বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় তাদের প্রভাব লক্ষ করা গেছে।
আরও পড়ুন: ‘ভোটের পর সব পাপের হিসাব!’ কোচবিহার থেকে তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি মোদীর, বাংলায় পরিবর্তনের ডাক
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রিটেনের MI6, যা সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস নামেও পরিচিত। জনপ্রিয় কাল্পনিক চরিত্র জেমস বন্ডের গল্পে এই সংস্থার উল্লেখ বহুবার এসেছে। বাস্তবেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গোপনে কাজ করে তথ্য সংগ্রহ এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এদের প্রধান দায়িত্ব। তৃতীয় স্থানে থাকা ইজরায়েলের মোসাদও অত্যন্ত নিখুঁত পরিকল্পনা এবং সাহসী অভিযানের জন্য সুপরিচিত।
এই তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ভারতের রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং বা ‘র’। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা বিদেশি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং দেশের কৌশলগত নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান মজবুত রাখতে ‘র’-এর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পঞ্চম স্থানে রয়েছে রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস বা এফএসবি, যা সোভিয়েত আমলের কেজিবির উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত।

আরও পড়ুন: রোজের এই ছোট্ট অভ্যাস বদলে বাঁচবে ৪০ শতাংশ গ্যাস, জেনে রাখুন টিপস
বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই সব গোয়েন্দা সংস্থার (Top Intelligence Agencies) কাজের বড় অংশই সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে ঘটে। সিনেমায় আমরা যে রোমাঞ্চ দেখি, বাস্তবে তার থেকেও অনেক বেশি জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ এই দুনিয়া। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এই সংস্থাগুলির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। তাই বলাই যায়, রিলের মতোই কিন্তু রিয়েলেও এই ‘স্পাই গেম’ও কম রোমাঞ্চকর অনুভূতি দেয়না।












