বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্পত্তি বিতর্কের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। SIR নিয়ে বিরোধীদের নিশানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমার (Gyanesh Kumar)। তাও আবার বিগত ১০ মাসে ১৪ বার! এই ঘটনা সামনে আসতেই তীব্র সমালোচনা থেকে শুরু করে বিধানসভা ভোটে দুর্নীতি হয়েছে বলে সরব হয়েছেন সমস্ত বিরোধীরা। এদিন সুর চড়ালেন ISF এর নওশাদ সিদ্দিকীও (Naushad Siddiqui)। কী বললেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
ইমিডিয়েট জ্ঞানের কুমার জির পদত্যাগ করা উচিত : নওশাদ সিদ্দিকী
নওশাদ বলেন, ‘যা ভয়ঙ্কর অভিযোগ এসেছে, ইমিডিয়েট আমার মনে হয় জ্ঞানেশ কুমারজি নিজে থেকে পদত্যাগ করে দেওয়া। তারপরে বিচার হবে। বিভাগীয় বিচার হবে, উনি যদি ভুল প্রমাণিত হয় তিনি আবার ফিরে আসুন। কেন্দ্র সরকার সরাবে না এটা দিনের আলোর মত পরিষ্কার। কারণ যেভাবে পশ্চিম বাংলায় এসআইআর এর শুরুতে বলেছিল, ২০০২ এর ভোটার লিস্টে যাদের নাম আছে এসআইআরের লিংক হয়ে যাবে তার আর কোন পেপারস লাগবে না। তার নয় তার পিতা-মাতা কারো একজনের। আর চারজনের কথা বলেছিল কারো একজনের যদি লিংক পাওয়া যায় আর কোন পেপারসের প্রয়োজন হবে না’।
এরপর তিনি আরও বলেন, ‘পরবর্তীতে আমরা কি দেখলাম? যার 2002 এর ভোটার লিস্টে নাম আছে তাকেও আন্ডার এডজুডিকেশন দেওয়ার পরে ট্রাইবুনালে তাকে আজকের ডেটা ঝুলিয়ে রেখেছে। যে অনৈতিক কাজ করে যাচ্ছে একের পর এক। কোন না কোন জায়গায় আমার মনে হচ্ছে, তিনি একতরফা কাজ করেছেন বাকি তার যে অসোসিয়েট যে বাকি যে ইলেকলেশন কমিশনার ছিলেন তাদেরকে পাত্তা দেয়নি। তাই রিপোর্টে এসছে গত ১০ মাসে ১৪ বার এরা লিখিত এর বিরোধিতা করেছেন’।
আরও পড়ুনঃ পুজো আসার আগেই বিরাট ঘোষণা! একইসাথে মিলবে ৯ বছরের বকেয়া DA, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের
শুধু তাই নয়, তারা এখানে অবৈধভাবে এটাকে উল্লেখ করছে আজকে কোন জায়গায় দাঁড়াচ্ছে গণতন্ত্রের উৎসব! আগামী পাঁচ বছর রাজ্যের মানুষ কি কেমন থাকবেন? যাকে সরকার নির্বাচন করবেন তার দ্বারা কিভাবে পরিচালিত হবে? এই ধরনের একটা বড় নির্বাচন কন্ডাক্ট করেছে। আর যে ১০ মাসের কথা বলা হচ্ছে এই ১০ মাসে ওয়েস্ট বেঙ্গলে ইলেকশন হয়ে গিয়েছে।
এখন দেখার বিষয় আমাদের দেশের সুপ্রিম কোর্ট সুও মোটা মামলাটা নেয়, না কি নেয় না? কোন জায়গায় গড় এটা দেখার বিষয়। তবে আজকের দিন আমি বলব যে ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠেছে ইমিডিয়েট তার পদত্যাগ করা দরকার। এক মুহূর্তের জন্য আর ওই পদে থাকার তিনি যে অভিযোগ এসেছে আমার মনে হয় উচিত হবে।
গণতন্ত্রের উৎসব থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষকে!
ভোটে বহু মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে নওশাদ বলেন, না মানুষের সব মানুষের রায় নেয়নি তো! আমরা তো মামলাও করেছিলাম আমরা মামলাও করেছিলাম, যে গণতন্ত্রের উৎসবে এত লাখ মানুষকে বাইরে রেখে কিভাবে সম্ভব? দ্রুততার সাথে এই প্রসেস শেষ করা হোক অন্যথায় নির্বাচনকে পিছিয়ে দেয়া হোক। কিন্তু আমাদেরকে এন্টারটেন করেনি আমাদেরকে পাত্তা দেয়নি। এমন এমন সিট আছে যে সিটে জয় পরাজয়ের ব্যবধান হচ্ছে 1000 2000 4000 5000 সেই সিটগুলো দেখা যাবে 10000 15000 করে আন্ডার এডজুডিকেশন দেখিয়ে ট্রাইবুনাল দেখিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে। রেজাল্টের ক্ষেত্রেও অনেক বিস্তর পার্থক্য হয়ে যাবে।
এরপর তিনি আরও বলেন, প্রশ্নটা হচ্ছে এটাই পশ্চিম বাংলায় যদি বলি বিরোধীদেরকে একটা ছন্ন ছাড়া করে রেখে দিয়েছে। কিছু বিরোধী তারা তৈরি শাসক তৈরি করে রেখেছে। আর বিরোধীদেরকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে রেখেছে। ফলে এই যে অন্যায় হয়েছে পশ্চিম বাংলার মানুষের সাথে। এটা নিয়ে জোরালো প্রতিবাদ হচ্ছে না। যে স্কুলটাকে দেখানো হয়েছে উনি ওই বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাস করেছেন। ওই সালে ওই বিদ্যালয়ের কোন মাধ্যমিকের অনুমোদনই ছিল না। এখন দেখার বিষয় রাজ্যের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ে গিয়েছে, নমিনেশনটাকে বাতিল করে না বাতিল করে না।
আরও পড়ুনঃ ‘লোকতন্ত্রকে বাঁচানোর কাজ করছে ইলেকশন কমিশন’, মতবিরোধের সরিয়ে বার্তা সম্বিত পাত্রের
বিগত পাঁচ মাসে মানুষের মনে ভয় ঢুকেছে! এই প্রসঙ্গে নওশাদ জানান, আইন আইনের পথে যদি চলে, যা অভিযোগগুলো উঠে এসেছে অভিযোগে যদি সত্যতা হয় তাহলে কিন্তু নমিনেশন বাতিল হচ্ছে। ভয় আউট ভরসা ইন এটা স্লোগান ছিল। আর এখন ঠিক উল্টো হয়ে গেছে, আপনার ভয় ইন আর ভরসা আউট। এই সরকার পাঁচ মাস চলছে এই পাঁচ মাসে একাধিক ক্রাইম এগেনেস্ট ওমেন ঘটে চলেছে। দেখুন ম্যাক্সিমাম জায়গায় চাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। জঙ্গল মহল এরিয়াতে প্রাণমঙ্গল এরিয়াতে খোঁজ নিয়ে দেখুন, আদিবাসী এক কন্যার সাথে এই ধরনের নিগ্রহের তিনি শিকার হয়েছিলেন। ওখানকার লোকাল বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল সে নাকি বিষয়টাকে নিয়ে চেপে যেতে বলেছেন। বসে আলোচনা করে সমাধান করে নিতে বলেছেন। এছাড়াও আরও একাধিক মন্তব্য করেছেন তিনি।













