বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূলে (TMC) ভাঙনের ধারা অব্যাহত। পরিষদীয় দলের পর সংসদীয় দলেও ফাটল দেখা দিয়েছে। সোমবারই জানা গিয়েছিল, এনডিএ-র শরিক হতে চেয়ে লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন বিদ্রোহী সাংসদরা। এবার শোনা যাচ্ছে, সেই বিদ্রোহীদের তালিকায় নাম লেখাতে চলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সেনাপতি’ তথা যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)।
বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন সায়নী?- (Saayoni Ghosh)
পরিষদীয় দলের পর তৃণমূলের সংসদীয় দলেও ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সোমবার সেই গুঞ্জনে শিলমোহর পড়েছে। গতকাল ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠকের পর লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি দেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। এবার শোনা যাচ্ছে, সেই শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন সদ্য যুব তৃণমূলের সভানেত্রীর পদ পাওয়া সায়নী।
আরও পড়ুনঃ বাংলার স্কুলগুলির জন্য ফের নয়া নির্দেশ! রাজ্য সরকার জারি করল নতুন নির্দেশিকা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ সায়নীর। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হলেও দলে তাঁর সাংগঠনিক দায়িত্ব বৃদ্ধি পেয়েছিল। এরপর ২০২৪ লোকসভা ভোটে হাইভোল্টেজ যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জিতে সাংসদ হন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তিনি। এবার সেই সায়নীর বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখানোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এদিকে এই মুহূর্তে লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ২৮। এর মধ্যে ২০ জনই বিদ্রোহী শিবিরের অংশ বলে বলে খবর। জানা গিয়েছে, গতকাল স্পিকারকে দেওয়া চিঠিতে তাঁরা এনডিএ-র শরিক হতে চান বলে জানিয়েছেন। তৃণমূলেরই একটি আলাদা দল হিসেবে এনডিএ-র শরিক হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তাঁরা।

এখানেই শেষ নয়! গতকাল সন্ধ্যায় বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের বাড়িতে ফের বৈঠকে বসেন বিদ্রোহী সাংসদরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। যদিও বিদ্রোহীদের দাবি, এই বৈঠকটি নিছকই সান্ধ্য আড্ডা ছিল। তবে এরপরেই সামনে আসছে সায়নী সংক্রান্ত জল্পনা। তিনিও যদি শেষ অবধি বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখান তাহলে তা দলের জন্য বড় ধাক্কা হবে বলে মনে করছেন অনেকে।













