বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই একেরপর এক বদল হয়ে চলেছে রাজ্যে। রাস্তাঘাট থেকে সৌন্দর্যায়ন প্রকল্প সবদিকেই নজর রয়েছে শুভেন্দু সরকারের। আর এবার পর্যটন শিল্পকে ইন্ধন জোগাতে বড় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জঙ্গলমহলকে (Jangalmahal) নিয়ে। জঙ্গলমহলে নতুন চিড়িয়াখানা তৈরিতে উদ্যোগী পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তবে শুধুই চিড়িয়াখানা নয়, সাথে অত্যাধুনিক রোপওয়েও থাকবে বলে জানা যাচ্ছে।
জঙ্গল মহলে নতুন চিড়িয়াখানা তৈরিতে উদ্যোগী শুভেন্দুর সরকার
যেমনটা জানা যাচ্ছে, বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরের পর্যটনশিল্পকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে রোপওয়ে পাশাপাশি একটু নতুন চিড়িয়াখানা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন ভ্রমণার্থীদের সংখ্যা বাড়বে তেমনি প্রচুর স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান হবে। একইসাথে হোটেল, দোকান বাড়বে ও ব্যবসায়ীরাও আরও লাভবান হবেন। সব মিলিয়ে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হবে বাঁকুড়ার।
দার্জিলিং সুন্দরবনের মতই টুরিস্ট ডেস্টিনেশন হবে জঙ্গলমহল
আসলে বিগত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকারের আমলে জঙ্গলমহলের উন্নয়নের জন্য তেমন কোনো কাজই হয়নি বলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আর বঞ্চনা নয়, বরং নবরূপে সাজানো হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় একেরপর এক পরিবর্তন ও উন্নয়নমূলক প্রকল্প আসছে জঙ্গলমহলের জন্য। আশা করা হচ্ছে সমস্ত উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নের কাজ সম্পন্ন হলে দার্জিলিং বা সুন্দরবনের মতোই টুরিস্ট ডেস্টিনেশনে পরিণত হবে জঙ্গলমহল ও উপচে পড়বে পর্যটকদের ভিড়।
আরও পড়ুনঃ মানুষের অসুবিধা বরদাস্ত নয়! আসানসোলে দ্রুত ফুটপাত দখলমুক্ত করার নির্দেশ অগ্নিমিত্রার
ইতিমধ্যেই মুকুটমণিপুরে একটি নতুন রোপওয়ে তৈরির খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই খুশি ছিলেন স্থানীয়রা। এবার সাথে চিড়িয়াখানার ঘোষণা হতে ডাবল খুশি। অবশ্য এর আগেই জুন মাসে অর্থমন্ত্রী স্বপ্ন দাশগুপ্ত বাজেটে জানিয়েছিলেন যে জঙ্গলমহলে চিড়িয়াখানার সাথে টাইগার সাফারি গড়ে তোলা হবে। এর জন্য ২৫ কোটি টাকার বাজেটও বরাদ্দদ করা হয়েছে।
আর কি কি দর্শনীয় স্থান থাকছে জঙ্গলমহলে?
অনেকেরই হয়তো কৌতূহল হচ্ছে যে কাছাকাছি আর কি কি ঘোরার জায়গা রয়েছে! সেক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, ঘন জঙ্গল, ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ী ছাড়াও পূর্বপ্রান্তে ডিয়ার পার্ক রয়েছে। সেখানে চিতা, হরিণ, কৃষ্ণসার হরিণ,ভাল্লুক, হয়না থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ দেখতে পাওয়া যাবে। এছাড়া ৫০ কিমি দূরত্বে রয়েছে ঘাগড়া জলপ্রপাত। পাহাড়ের ঝর্ণা দেখতে চাইলে সেখান থেকেও ঘুরে আসাই যায়।













