বাংলাহান্ট ডেস্ক : দুর্গাপুজো তো প্রায় এসেই পড়ল। বর্ষার ভ্রুকুটি কাটিয়ে শরতের আকাশ উঁকি দিচ্ছে। অন্যদিকে ভোজনরসিকদের মনে উঁকি দিচ্ছে আরেক প্রশ্ন। এবার পুজোর মরশুমে কি পদ্মার ইলিশ (Hilsa Fish) পড়বে পাতে? বাংলাদেশ থেকে কি এসে পৌঁছাবে খাঁটি পদ্মা বা মেঘনার ইলিশ?
বাংলাদেশ থেকে আসবে এবার ইলিশ (Hilsa Fish)?
দুর্গাপুজোর সময়ে এপার বাংলায় ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়ে আবেদন জানাল বাংলাদেশের মোট ১৮ টি প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানগুলির মতে, শুধুমাত্র দুর্গাপুজোর সময় নয়, সম্ভব হলে বছর ভর ভারতে ইলিশ রপ্তানির সুযোগ করে দেওয়া উচিত। গত বছর পুজোর সময় ভারতে ১২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ রপ্তানি করা হয়েছিল মাত্র ১৫০ টন। এবার যাতে সেই পরিস্থিতি না হয় তার জন্য আগে থেকেই অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।

কোন কোন প্রতিষ্ঠান রয়েছে: এই ১৮ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের জেএস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস, ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ, ম্যাজেস্টিক এন্টারপ্রাইজ ও বিডিএস করপোরেশন, চট্টগ্রামের জেএস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস, যশোরের লাকি এন্টারপ্রাইজ, এমইউসি ফুডস, মোহতাব অ্যান্ড সন্স ও জনতা ফিশ।
আরও পড়ুন : একঘেয়ে ভাজা খেয়ে বিরক্ত, নামমাত্র উপকরণে রাঁধুন ঠাকুরবাড়ির পোস্ত বেগুন
আবেদন জানিয়ে চিঠি: খুলনার বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ, বরিশালের মহিমা এন্টারপ্রাইজ, এআর এন্টারপ্রাইজ ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ (Hilsa Fish), ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ, সাতক্ষীরার এমএ এন্টারপ্রাইজ ও সুমন ট্রেডার্সও রয়েছে এর মধ্যে। জানা যাচ্ছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলির আবেদনের পর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
আরও পড়ুন : যাদবপুরে নাগা সন্ন্যাসীদের ‘বিকৃত’ ছবি পোস্ট, শতরূপের বিরুদ্ধে এবার দায়ের FIR
প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৫ হাজার টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করত বাংলাদেশ। ২০১২ সালে বন্ধ হয়ে যায় রপ্তানি। ফের ২০১৯ সালে দুর্গাপুজো উপলক্ষে ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি মেলে। ২০২০ সালে ১ হাজার ৮৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি মিলেছিল। এরপর আবার ২০২৩ এ মেলে অনুমতি। এবার কত ইলিশ আসে বাংলাদেশ থেকে সেদিকেই তাকিয়ে ভোজনরসিকরা।













