বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের মুখে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল কালিয়াচক (Kaliachak Case)। ছোটখাটো অসন্তোষ দিয়ে শুরু হওয়া পরিস্থিতি দ্রুত বড় আকার ধারণ করে। ভোটার তালিকায় নাম না ওঠার কারণে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। গত বুধবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনরোষ ছড়িয়ে পড়ে, আর শেষ পর্যন্ত ঘটনাটি ঘিরে বড় ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট (Kaliachak Case)
মালদহের কালিয়াচক এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম না থাকার কারণে বুধবার সকাল থেকে মানুষের ক্ষোভ দেখা দেয় (Kaliachak Case)। স্থানীয়রা প্রথমে সাধারণভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও, পরিস্থিতি বিকেলের দিকে আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।বিক্ষোভকারীরা কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে আটকে রাখে। তাদের মধ্যে তিনজন মহিলা বিচারকও ছিলেন। গভীর রাতে বিশাল পুলিশবাহিনী এসে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিচারকদের উদ্ধার করে।
এই ঘটনার পরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বৃহস্পতিবার সকালেই সুপ্রিম কোর্টের নজর এ ঘটনা আকর্ষণ করে। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল সুপ্রিম কোর্টকে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে বলা হয়, কালিয়াচক এলাকায় বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছে এবং রাত ২টা পর্যন্ত পরিস্থিতি নজরদারি করা হয়েছে। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, এমন ঘটনা বিচারকদের উপর ভয় সৃষ্টি করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার পরই সবুজ সংকেত! ১৫ মে থেকে চিংড়িঘাটায় শুরু হবে মেট্রোর কাজ
সুপ্রিম কোর্ট এই চিঠি পাওয়ার পর নির্দেশ দেয়, গোটা ঘটনার তদন্ত এনআইএ বা সিবিআই দ্বারা করতে হবে। সেই অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন কালিয়াচক কাণ্ডে (Kaliachak Case) এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয়। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সূত্রের খবর, এনআইএ কর্মকর্তারা আগামী ৩ এপ্রিল সকালেই রাজ্যে পৌঁছাবেন।












