বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস থেকে বিলবোর্ড খোলার ঘটনায় আগেই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল (Kalighat TMC)। তবে সেখানে কোনও স্বস্তি মেলেনি। এই বিষয়ে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে রাজি হয়নি বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর বেঞ্চ। সেই কারণে এবার সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হল কালীঘাট তৃণমূল শিবির। হাইকোর্টের অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছে তাঁরা।
ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে মামলা | (Supreme Court)
৯, ক্যামাক স্ট্রিটের ৭ তলা ও ৮ তলায় অভিষেকের অফিস রয়েছে। সম্প্রতি সেখান থেকে তৃণমূলের নামাঙ্কিত বিলবোর্ড খুলে নেওয়া ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, তাঁদের বক্তব্য না শুনে তাড়াহুড়ো করে বিলবোর্ড খোলা হয়েছে। এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও করে তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গ যাওয়ার ঝক্কি অতীত! রাস্তায় নামল বাড়তি সরকারি বাস, কখন কোথা থেকে পাবেন জানুন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়পন্থী তৃণমূল আদালতে আবেদন করে, বিলবোর্ড সরানোর সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশকর্মী ও কলকাতা পুরসভার আধিকারিকদের নাম, পদ ও পরিচয় প্রকাশ করা হোক। পাশাপাশি বিলবোর্ডটি আবার আগের জায়গায় লাগিয়ে দেওয়ার অনুরোধও জানানো হয়েছিল। ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বিল্ডিংয়ের মালিক অবশ্য আদালতে জানান, তাঁর অনুমতি ছাড়াই বিলবোর্ড টাঙানো হয়েছিল।
হাইকোর্ট অবশ্য তৃণমূলের কোনও আবেদনেই সাড়া দেয়নি। বিচারপতি বসু চৌধুরী জানান, ইতিমধ্যেই ওই বিলবোর্ড খোলা হয়ে গিয়েছে। সেই কারণে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া যাবে না। বিলবোর্ড ফের লাগিয়ে দিতে বলা হলে তা চূড়ান্ত রায়ের সমান হবে। পাশাপাশি তৃণমূলের তরফে যে পুলিশকর্মী ও পুরসভা আধিকারিকদের নাম চাওয়া হয়েছে, এর জন্য যথেষ্ট নথিভিত্তিক তথ্য আদালতের সামনে নেই।

ক্যামাক স্ট্রিটের এই ঘটনায় হাইকোর্ট কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে রাজি না হওয়ায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল কালীঘাট তৃণমূল শিবির। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর। সেখানে শীর্ষ আদালত কী বলে সেটাই দেখার।













