বাংলা হান্ট ডেস্ক: আপনিও কি এই কংক্রিটের শহর থেকে মুক্তি পেয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে চান? ছুটি পেলেই পালাতে ইচ্ছে করে এমন জায়গায়, যেখানে গেলে সময় কিভাবে কেটে যায় আপনি বুঝতেই পারবেন না। আজকের প্রতিবেদনে এমন একটি জায়গার কথা রইল, যেখানে গেলে পরে আপনি প্রাণ ভরে যেমন প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। অপরদিকে দুদিনের ছোট ট্রিপ হয়ে যাবে আপনার। এই জায়গাটা হল কালিম্পং (Kalimpong) এর ইচ্ছে গাঁও। যেখানে আপনি হোম স্টে থেকে দেখতে পাবেন কাঞ্চনজঙ্ঘাকে।
দু’দিনের ছোট ট্রিপে বড় শান্তি, ঘুরে আসুন ইচ্ছে গাঁও (Kalimpong)
কালিম্পংয়ের (Kalimpong) কোলে লুকিয়ে রয়েছে এক অচেনা জনপদ ইচ্ছে গাঁও। যেখানে চার-পাশটা সবুজের ঢাকা। সূর্যোদয়ের সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা ও উঁকি দেয় এখানে। পাশাপাশি এইখানে গেলে আপনি ঘুরে দেখতে পারেন, পেডং, আরিতার, মানখিম ও সিলারিগাঁও-এর মতো জায়গা। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫৮০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এখানে গেলে পরে আপনি কোলাহলহীন পরিবেশ, পাইনবন, পাখির ডাক ও দূরে দাঁড়িয়ে থাকা কাঞ্চনজঙ্ঘা কে দেখতে পাবে।

আরও পড়ুন: মাঘের শুরুতেই অনেকটা বেড়েছে সোনার দাম, ২২ ও ২৪ ক্যারেট হলুদ ধাতুর আজকের লেটেস্ট রেট জানুন
পাশাপাশি এখানে আসলে আপনি দেখতে পাবেন কাঞ্চনজঙ্ঘার ভিউ পয়েন্ট। এছাড়াও, হোমস্টে ভালো জায়গায় হলে উঠোন থেকেই দেখতে পাবেন ভোরবেলায় তুষারাচ্ছন্ন কাঞ্চনজঙ্ঘার সোনালী রং। যা আপনার মন ভরিয়ে দেবে। পাশাপাশি পায়ে হেঁটে এই গ্রামটিকে আপনি দেখতে পারবেন।
আপনি ঘুরে দেখতে পারেন, রামিতার ভিউ পয়েন্ট। ইচ্ছে গাঁও থেকে প্রায় ২০–৩০ মিনিটের ট্রেক। তাছাড়া রয়েছে লোলেগাঁও ক্যানোপি ওয়াক। ইচ্ছে গাঁও থেকে মাত্র ৮ কিমি। পাইন–ফার–সাইপ্রাস গাছের মধ্যে ঝুলন্ত ব্রিজে হাঁটার অভিজ্ঞতা অনন্য। এছাড়াও চাঙ্গি ভিউ পয়েন্ট। ছোট ট্রেক বা গাড়িতে যাওয়া যায়। সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই অপূর্ব।
কীভাবে যাবেন ও কোথায় থাকবেন?
এখানে যাওয়ার আদর্শ সময় হল অক্টোবর থেকে মে মাস পর্যন্ত। এই সময় ইচ্ছে গাঁও ভ্রমণ করলে পরে আপনি শীতের হার কাঁপানো ঠান্ডা অতটা পাবেন না। তবে বর্ষাকালে এই জায়গা না যাওয়াই শ্রেয়। কিন্তু বর্ষার সময় গেলে এখানে আপনি দেখতে পাবেন প্রাকৃতিক পরিবেশের এক আলাদা রূপ।
অপরদিকে আপনি কালিংপং অথবা নিউ জলপাইগুড়ি রেলস্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌছিয়ে যেতে পারেন ইচ্ছে গাঁও। সেখানে বেশ কয়েকটি হোম স্টে আছে। আপনি যদি পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসেন এখানে, তাহলে আগের থেকে বুকিং করে আসার শ্রেয় হবে (Kalimpong)।












