বাংলা হান্ট ডেস্ক: উপত্যকায় ফের আতঙ্কের আবহ। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) বিভিন্ন জায়গায় জায়গায় কাশ্মীরি পন্ডিতদের উদ্দেশে হুমকি পোস্টার নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ হয়েছে দাঁড়ায়েছে কাশ্মীরি পন্ডিত সম্প্রদায়ের কাছে। ইতিমধ্যে তাঁদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) ফের জঙ্গিদের নিশানায় কাশ্মীরি পণ্ডিতরা!
নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের গণবিতাড়নের স্মৃতি এখনও তাজা। সেই সময় বহু পণ্ডিত খুন হন এবং প্রাণভয়ে হাজার হাজার পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। ফলে এই ঘটনা নতুন করে গত দশকের সেই বীভৎসতার স্মৃতি উস্কে ভয় ধরাচ্ছে বর্তমানকে। যাঁরা সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও উপত্যকায় থেকে গিয়েছিলেন, তাঁদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন কাশ্মীরি পণ্ডিত সংঘর্ষ সমিতি বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
আরও পড়ুন: বড় ঘোষণা করল SBI, ২০৩০ সালের মধ্যেই পূরণ হবে বিশেষ লক্ষ্য! প্রভাবিত হবেন গ্রাহকরা?
সংগঠনের দাবি, পরিকল্পিতভাবে উপত্যকায় বর্তমানে যে শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে তা নষ্ট করতেই এরকম ধরনের হুমকি পোস্টার লাগানো হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও যথেষ্ট দুশ্চিন্তা ছড়িয়েছে। তাই সমিতির তরফ থেকে কাশ্মীরি পন্ডিতদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার আবেদন জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি বিগত কয়েক মাস ধরেই গোটা উপত্যকাজুড়েই জঙ্গিদের খোঁজে লাগাতার তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী। একাধিক অভিযানে বেশ কয়েক জন জঙ্গি নিহতও হয়েছে। রবিবারও নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় তিন জঙ্গির। জঙ্গিদমন অভিযানের চাপ কমাতে এবং বাহিনীর নজর অন্য দিকে ঘোরাতেই এই ধরনের পোস্টার লাগানো হতে পারে, বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আরও পড়ুন: চাকরি নয়! অভিনব আইডিয়াকে কাজে লাগিয়েই করলেন বাজিমাত, ১ কোটির ব্যবসা গড়লেন পবিত্র
বেশ কয়েক বছর আগে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর একাধিক হামলার ঘটনার পর নিরাপত্তাবাহিনী ব্যাপক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের অধিকাংশকেই নিষ্ক্রিয় করে। তারপর থেকে তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি বজায় ছিল। তবে সাম্প্রতিক এই হুমকি পোস্টার নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। যদিও এই পোস্টারের নেপথ্যে জঙ্গি সংগঠন জড়িত কি না, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। গোটা ঘটনাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে নিরাপত্তাবাহিনী।












