জল নিয়ে ভোগান্তির আশঙ্কা, দক্ষিণ কলকাতার একাধিক ওয়ার্ডে বন্ধ থাকবে পরিষেবা, কবে, কখন? জানুন

Published on:

Published on:

KMC water supply will be temporarily cut off in South Kolkata on saturday
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: জানুয়ারির শেষে দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল বন্ধ থাকছে। আগামী শনিবার এই জল পরিষেবা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুরসভার (KMC) পক্ষ থেকে। শনিবার সকালের পরে গার্ডেনরিচ জল প্রকল্পের আওতাভুক্ত বিভিন্ন  বুস্টার পাম্পিং স্টেশন থেকে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। যার ফলে জল পাবে না দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা।

শনিবার দক্ষিণ কলকাতায় জল সরবরাহ সাময়িক ভাবে বন্ধ থাকবে (KMC)

সূত্রের খবর, ১ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ রোববার সকাল থেকে আবার পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। তবে পুরসভার (KMC) সূত্রের খবর, শনিবার সকাল ৬ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে জল পরিষেবা থাকবে। তারপরেই বন্ধ করে দেওয়া হবে জল। আবার রবিবার সকাল থেকে স্বাভাবিকভাবে এই পরিষেবা দেওয়া শুরু হবে।

KMC water supply will be temporarily cut off in South Kolkata on saturday

আরও পড়ুন: ভিড় এড়িয়ে পাহাড়ে ছুটি, মাত্র কটা টাকায় ঘুরে আসুন কালিম্পং স্বল্প চেনা গ্রাম পাবং থেকে

দক্ষিণ কলকাতার গার্ডেনরিচ, যাদবপুর, টালিগঞ্জ, কসবা, বেহালা, ঠাকুরপুকুর, জোকা-সহ কলকাতার প্রায় ৯টি বরোর-তে ৩১ জানুয়ারি জল পাওয়া যাবে না। তবে পুরনাগরিগদের যাতে পানীয় জল পেতে সারা বছর কোন সমস্যা না হয় তার জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর গার্ডেনরিচ জল প্রকল্প ও তার আওতা থাকা বুস্টার পাম্পিং স্টেশনে কাজ করতে হয়। সেই কাজ করা হবে ঐদিন।

এছাড়াও পুরসভার পানীয় জল সরবরাহ বিভাগ জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি জায়গায় পাইপলাইনের ফাটল ও ছিদ্র ধরা পড়েছে। সেগুলোর ওপর কাজ করা হবে। পাশাপাশি কালীঘাট, রানিকুঠি, গরফা, চেতলা, গল্ফগ্রিন, লায়েলকা, বেহালা, সিরিটি, দাসপাড়া, বাঁশদ্রোণী, গান্ধী ময়দান, সেনপল্লি, প্রফুল্ল পার্ক, পর্ণশ্রী, মেটিয়াবুরুজ ও শকুন্তলা পার্ক বুস্টার পাম্পিং স্টেশন ও গার্ডেনরিচ জলপ্রকল্পের আওতাভুক্ত বিভিন্ন ক্যাপসুল বুস্টার পাম্পিং স্টেশন থেকেও পানীয় জল সরবরাহ করা হবে না।

প্রসঙ্গত, শীতকালে মানুষের জলের চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এদিকে সামনেই গরমকাল আসছে। গরমে পানীয় জলের চাহিদা এক লহমায় অনেকটাই বেড়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় জলের চাপও কমে যায়। গরমকালে জলের সরবরাহ ঠিক রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা কর্পোরেশন (KMC)।